প্রসেনজিৎ ধর,কলকাতা :- এসআইআর মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের ৷ প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিল এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা সহ্য করা হবে না ৷ চূড়ান্ত তালিকায় কাদের কাদের নাম থাকবে সেই সিদ্ধান্ত শুধু ইআরও-রাই নিতে পারবেন ৷ মাইক্রো অবজারভাররা এসআইআরের কাজে সাহায্য় করবেন মাত্র ৷ ভোটার তালিকার স্ক্রটিনি বা নথি খতিয়ে দেখার সময়সীমা আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়েছে শীর্ষ আদালত ৷ অর্থাৎ, ১৪ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হচ্ছে না ৷ এদিন রাজ্যের তরফে সওয়াল করেন আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান। পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি জানান, আনম্যাপড ভোটারের সংখ্যা ৩২ লক্ষ। বাকি সবাইকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জন্য ডাকা হয়েছে। ১.৩৬ কোটি লোককে নোটিস দেওয়া হয়েছে। বানান ভুলের কারণে ৫০ শতাংশকে তলব করা হচ্ছে। অন্যদিকে, রাজ্যের বক্তব্য, অফিসার চাওয়ার কথা তারা আদালতে এসেই জানতে পেরেছে। এদিন রাজ্য সরকারের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত। তিনি জানতে চান, ৮৫০৫ জন আগামিকাল (মঙ্গলবার) ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসারের কাছে গিয়ে রিপোর্ট করতে পারবেন কি না।এদের নামের তালিকা কমিশনকে দেওয়া হয়েছে কি না, সেটাও জানতে চান তিনি। জিজ্ঞেস করলেন। কমিশনের আইনজীবী জানালেন যে তাঁরা কোনও নামের তালিকা পাননি। এ কথা শুনে প্রধান বিচারপতি বলেন, শুধু সংখ্যা পাঠালে হবে না। অফিসারের নাম ডেজিগনেশন সহ সমস্ত তথ্য দিতে হবে। তবে তাদের ডেপুটেশনে নেওয়া সম্ভব হবে।প্রধান বিচারপতির ডিভিসন বেঞ্চ আরও জানিয়েছে, রাজ্যের ঠিক করে দেওয়া ৮৫০৫ গ্রুপ বি অফিসারকে আগামিকাল বিকেলে পাঁচটার মধ্যে কমিশনের কাজে যোগ দিতে হবে ৷ এথন যাঁরা মাইক্রো অবসার্জাারে কাজ করছেন তাঁরা কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পাররেন না ৷ এই নতুন তালিকায় যাঁদের নাম আছে তাঁদের কাজের অভিজ্ঞতা খতিয়ে দেখে নির্বাচন কমিশন মনে করলে তাঁদের মধ্য়ে থেকে কাউকে কাউকে মাইক্রো অবজারভার হিসেবে নিয়োগ করতে পারবে ৷ এদিনের শুনানির একটি অংশে কমিশনের তরফে দাবি করা হয় এনুমারেশন ফর্ম পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় রাজ্য প্রশাসনকে এফআইআর করতে বলেছিল ৷ কিন্তু সেই এফআইআর করা হয়নি ৷ এই ব্যাপারে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে হলফনামা জমা দিতে বলা হয়েছে আদালতের তরফে ৷
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal