Breaking News

জয়ের আশায় শমীক, তবু দিলেন সতর্কবার্তা! গণনার আগের দিন বিজেপি কর্মীদের কড়া বার্তা আত্মবিশ্বাসী শমীক ভট্টাচাৰ্যর

দেবরীনা মণ্ডল সাহা, কলকাতা :-নির্বাচনে জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তবে দলীয় কর্মীদেরও বার্তা দিয়ে রাখলেন, কেউ যেন হিংসায় না জড়ান। সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দফতর থেকে শমীক জানান, তিনি পশ্চিমবঙ্গের ভোট-সংস্কৃতির পরিবর্তন চান। অতীতে যেমন ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠে এসেছিল, তার পুনরাবৃত্তি চাইছেন না তিনি। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে সেই বার্তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন শমীক।সোমবার রাজ্যের ২৯৩টি বিধানসভা আসনের (ফলতায় নতুন করে ভোট হবে, তার পরে সেই আসনের গণনা হবে) ভোটগণনা রয়েছে। গণনা শুরু হবে সকাল ৮টা থেকে। বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে প্রাথমিক আভাসও আসতে শুরু করে দেবে বিভিন্ন আসন থেকে। এ অবস্থায় গণনার আগের দিন, রবিবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে দলের সকল স্তরের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে রাখলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে শমীক বলেন, “জয়ের পরে বিজেপি কর্মীরা যেন হিংসার আশ্রয় না নেন। বিভিন্ন জায়গায় মরিয়া হয়ে একটা রাজনৈতিক দল কিছু অবাঞ্ছিত লোকজনকে জড়ো করছে। কিন্তু এ বার সেই সব করে গণনায় গন্ডগোল করা যাবে না।” পশ্চিমবঙ্গে অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনে ভোট-পরবর্তী অশান্তির অভিযোগ উঠে এসেছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে অশান্তির অভিযোগ ছড়িয়েছিল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। তাতে বিজেপির বিভিন্ন কর্মী-সমর্থকও আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ ওঠে। ওই সময়ের পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করেন শমীক। ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শমীক বলেন, “২৭ দিনে আমাদের ৫৬ জন বিজেপি কর্মী খুন হয়েছিলেন। ২৭ জন মহিলা ক‍্যামেরার সামনে এসে জানিয়েছিলেন যে তাঁরা গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন।”
তবে এ বারের দু’দফার নির্বাচন মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ভাবেই মিটেছে। এ অবস্থায় রাজ্যে ভোট-সংস্কৃতির পরিবর্তনের ডাক দিলেন শমীক। হিংসার পুনরাবৃত্তিতে প্রতিহিংসা না করার বার্তা দেন তিনি বিজেপি কর্মীদের। শমীক বলেন, “এর আগের নির্বাচনগুলির পরে বিজেপি কর্মীরা যে অত‍্যাচারের শিকার হয়েছিলেন, এ বার যেন বিজেপি কর্মীরা তার পাল্টা পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা না করেন। আমরা যে অত‍্যাচারের শিকার হয়েছি, আমাদের কর্মীদের পরিবারগুলি যে যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে, আমরা চাই না অন্যদের এখন সেই যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হোক।”

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *