Breaking News

ভবানীপুরে পরাজিত মমতা, ‘শেষ হাসি’ হাসলেন শুভেন্দুই!ভবানীপুরে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘মুসলমানরা ভোট দেয়নি’

প্রসেনজিৎ ধর, কলকাতা – ভবানীপুরে পরাজিত মমতা, শেষ হাসি হাসলেন শুভেন্দু অধিকারী | ১৫,১০৫ ভোটে জয়ী শুভেন্দু অধিকারী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরের ঘরের মেয়ে। অথচ সেই নিজের ঘরেই হারতে হল |পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাস্ত হয়েছিলেন মমতা। কিন্তু এবার নিজেরই আসনে পরাস্ত হলেন তৃণমূলনেত্রী। নিজের আসন ভবানীপুরকে ‘বড়বোন’ এবং নন্দীগ্রামকে ‘মেজোবোন’ বলে সম্বোধন করেন মমতা। ‘মেজোবোনের’ কাছে পাঁচ বছর আগেই হেরেছিলেন, হারিয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীই। এবার ‘বড়বোন’ ভবানীপুরেও হারলেন তিনি। এবারও হারালেন সেই শুভেন্দুই। ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামে সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য হলদিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।জয়ের সার্টিফিকেট হাতে নিয়ে বাম শিবিরকে ধন্যবাদ জানালেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, ভবানীপুরে সিপিএমের প্রায় ১৪ হাজার ভোট রয়েছে। তার মধ্যে ১০ হাজার ভোট এসেছে বিজেপির ঘরে। এছাড়াও গুজরাটি, শিখ, জৈন-সহ অবাঙালি ভোটব্যাঙ্ককেও ধন্য়বাদ জানান তিনি। পাশাপাশি শুভেন্দু জানান, নন্দীগ্রাম, ভবানীপুর কোনও আসনে মুসলিমরা তাঁকে ভোট দেয়নি।শুভেন্দু আরও জানিয়েছেন, নন্দীগ্রামে ৬৬ হাজার মুসলিম রয়েছে। আর ভবানীপুরে রয়েছে ৩৫ হাজার মুসলিম। সেই কারণে নন্দীগ্রামের থেকে ভবানীপুরে বেশি ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন তিনি। ভবানীপুরে ২০ রাউন্ড গণনা শেষে ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন শুভেন্দু। অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে ৯ হাজার ৯৬৫টি ভোটে তৃণমূলের পবিত্র করকে হারিয়েছেন তিনি।সোমবার গণনাপর্বের শুরু থেকে ছিল টানটান উত্তেজনা। লড়াই যে হাড্ডাহাড্ডি হতে চলেছে, সেই আভাস মিলেছিল সকাল থেকেই। ২০ রাউন্ডের গণনা— প্রথম রাউন্ড থেকেই শুরু হয়েছিল স্নায়ুর লড়াই। প্রথম রাউন্ডে মমতা এগিয়ে, তো দ্বিতীয় রাউন্ডে শুভেন্দু, তার পরের রাউন্ডে আবার এগিয়ে মমতা। প্রথম দিকের কয়েকটি রাউন্ড চলে এ ভাবেই। তারপরে পঞ্চদশ রাউন্ড পর্যন্ত টানা এগিয়ে ছিলেন মমতা। যদিও সপ্তম রাউন্ড থেকে টানা নিজের ভোট বৃদ্ধি করতে থাকেন শুভেন্দু। কমাতে থাকেন ব্যবধান। প্রতি রাউন্ডে একটু একটু করে ব্যবধান কমিয়ে ষোড়শ রাউন্ডে গিয়ে মমতাকে ছাপিয়ে যান তিনি।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *