প্রসেনজিৎ ধর, কলকাতা :- লালবাজারের পর এবার বুলডোজার নিয়ে কড়া বার্তা দিয়ে রাখল ভবানী ভবনও। জানিয়ে দেওয়া হল, বুলডোজার নিয়ে কাউকে ভয় দেখানোর চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না। এর বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরে কিছু লোক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ঝামেলা পাকানোর চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যে তাঁদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।সম্প্রতি, জেসিবি দিয়ে মিছিলের ঘটনা নিয়েও কড়া পদক্ষেপের কথা আগেই জানিয়েছিলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার নন্দ। এবার একই সুর শোনা গেল রাজ্যের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তের গলাতেও। কোনওভাবেই হিংসা বরদাস্ত করা হবে না বলে জানান তিনি। মূলত, গতকাল, নিউ মার্কেটে জেসিবি দিয়ে দোকান ভাঙচুর করার ঘটনা সামনে আসে। আর এরপরেই কড়া হাতে আসরে নামে পুলিশ। এই প্রসঙ্গে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জেসিবি নিয়ে কোনও বিজয় মিছিল, র্যালি চলবে না।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় ভোট পরবর্তী অশান্তির অভিযোগ উঠে এসেছে। এ অবস্থায় বুধবার বিকেলে রাজ্য পুলিশের সদর দফতর ভবানীভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে বসেন ভারপ্রাপ্ত ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত। তিনি জানান, গত কয়েক দিনে কয়েক জায়গায় গোলমাল হয়েছে। মঙ্গলবারও হয়েছে। তবে বুধবার সকাল থেকে কোথাও কোনও গোলমালের ঘটনা ঘটেনি। সিদ্ধিনাথ জানান, ভোট-পরবর্তী সময়ে মোট ২০০টি এফআইআর হয়েছে। তার ভিত্তিতে ৪৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ছাড়া সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসাবে প্রায় ১১০০ জনকে আটক করা হয়েছে। তৃণমূলনেত্রী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অতিরিক্ত নিরাপত্তা প্রত্যাহারের বিষয়টিও বুধবার ব্যাখ্যা করে দেন রাজ্যের পুলিশপ্রধান। তিনি জানান, নিয়ম অনুযায়ী মমতা এবং অভিষেকের যে নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, তা তাঁরা পাচ্ছেন। তবে এর বাইরেও অতিরিক্ত কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল তাঁদের জন্য। সেই অতিরিক্ত নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানান সিদ্ধিনাথ।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal