Breaking News

নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ, ‘নির্বাচন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবে তৃণমূল’! ফের বড় ঘোষণা মমতার

নিজস্ব সংবাদদাতা :-বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েও মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবারের বৈঠকে তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, “আমি নিজে গিয়ে পদত্যাগ করব না। ওরা চাইলে আমাকে বরখাস্ত করুক, রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হলে হোক। সব রেকর্ড থাকুক।” তাঁর এই রণংদেহি মনোভাবকে কেন্দ্র করে এখন রাজ্য প্রশাসনে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।বুধবার কালীঘাটে দলের নবনির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন যে, ২০২৬ সালের এই নির্বাচনী ফলাফলের বিরুদ্ধে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছেন। ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপির বিরুদ্ধে নির্বাচনে কারচুপির গুরুতর অভিযোগ তুলে এই আইনি লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে জানান যে, আইনি লড়াইকে ত্বরান্বিত করতে তিনি এবং তাঁর সতীর্থ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য পুনরায় আদালতে সওয়াল করা শুরু করবেন। নির্বাচনে পরাজিত হওয়া প্রাক্তন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উভয়েই নিজেদের পুরনো আইন পেশায় ফিরে গিয়ে এই নির্বাচনী রায়ের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালাবেন বলে জানা গিয়েছে। এদিন পুরো প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “আমাদের লড়াই বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না, লড়াই ছিল সরাসরি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। কমিশনের কর্তা জ্ঞানেশ কুমার হলেন এই ঘটনার আসল ভিলেন।” ইভিএম বা ভোটযন্ত্রের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এদিন মমতা দাবি করেন, ভোটগ্রহণের দীর্ঘ সময় পরেও কীভাবে যন্ত্রের চার্জ ৮০-৮৫ শতাংশ থাকে, তা বিস্ময়কর।এদিকে, এদিনের বৈঠকে দলের ‘দুঃসময়ে’ সকলকে আরও একজোট হয়ে চলার বার্তা দেন তৃণমূলনেত্রী। দলীয় নেতা-কর্মীদের একাংশের মতে, এমন ভরাডুবির নেপথ্যে রয়েছে অন্তর্ঘাত। সেকথা মাথায় রেখে এদিন মমতা বলেন, “যে বা যারা অন্তর্ঘাত করছে তাদের নাম দিন।”

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *