নিজস্ব সংবাদদাতা :-রাজ্য বিধানসভা ভোটের প্রচারের ময়দান থেকে তিনি কথা দিয়েছিলেন, বাংলায় পরিবর্তনের পর নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত থাকবেন। এবার সেই কথা রাখতে শনিবারই কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী| গত ১৪ মার্চ ব্রিগেডের মাঠ থেকেই রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দিয়ে নির্বাচনী দামামা বাজিয়েছিলেন তিনি। কাকতালীয়ভাবে, সেই ব্রিগেড ময়দানেই শনিবার বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী শনিবার সকাল ৮টা বেজে ৫ মিনিট নাগাদ দিল্লির পালম বিমানবন্দর থেকে বায়ুসেনার বিশেষ বিমানে তিনি রওনা দেবেন। কলকাতা বিমানবন্দরে তাঁর নামার কথা সকাল ১০টা বেজে ২৫ মিনিটে। সেখান থেকে আর দেরি না করে হেলিকপ্টারে চড়ে তিনি পৌঁছবেন আরসিটিসি হেলিপ্যাডে। এরপর সড়কপথে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে প্রধানমন্ত্রী সোজা চলে যাবেন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার এই মেগা অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত থাকবেন। বিজেপি সূত্রে খবর, নতুন সরকারের পথচলার সূচনায় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি কর্মীদের মনোবল আরও বাড়িয়ে দেবে। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে ১২টা ৩৫ মিনিট নাগাদ প্রধানমন্ত্রী ব্রিগেড ছাড়বেন। পুনরায় আরসিটিসি হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টারে চড়ে তিনি ফিরবেন কলকাতা বিমানবন্দরে। এরপর বিকেল ৩টে ৪০ মিনিটে বিশেষ বিমানে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি।শুক্রবার সকালে রাজ্যে আসার কথা রয়েছে শাহের। বিজেপি সূত্রে খবর, হবু বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে শাহের। বিধানসভায় বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা বেছে নেওয়ার কাজে পর্যবেক্ষক করা হয়েছে তাঁকে। এই কাজের জন্য সহকারী পর্যবেক্ষক হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পড়শি রাজ্য ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝিকে। যে কোনও রাজ্যে নির্বাচনের পরে পরিষদীয় দলনেতা বাছার সময় সেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের পাঠান বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা দলের নবনির্বাচিত প্রার্থী বা হবু বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকেই পরিষদীয় দলনেতার নাম ঘোষণা হয়ে যায়।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal