Breaking News

এবার নিউটাউনের মিনি জু-তে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার! কবে থেকে দেখা মিলবে বাঘের, জানালেন বনমন্ত্রী

দেবরীনা মণ্ডল সাহা,কলকাতা :- আলিপুর চিড়িয়াখানার পর এবার নিউটাউনের মিনি জু-তে দেখা মিলবে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের। সেই লক্ষ্যেই উদ্যোগী হয়েছে রাজ্যের বনদপ্তর। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী বছরের মে মাসের মধ্যে নিউটাউনের হরিণালয়ে বাঘ আনার চেষ্টা চলছে। শুক্রবার মিনি জু পরিদর্শন করে এমনই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বনমন্ত্রী মনোজ ওঁরাও| প্রাথমিকভাবে শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারি পার্ক থেকে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার আনার পরিকল্পনা রয়েছে। শুক্রবার হরিণালয়ের পরিকাঠামো ঘুরে দেখেন বনমন্ত্রী। পরিদর্শনের পর তিনি জানান, বাঘ রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। এবার সেন্ট্রাল জু অথরিটি (সিজেডএ)-র অনুমতি নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। অনুমতি ও অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখার পর ধাপে ধাপে বাঘের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ইকো পার্কের ৬ নম্বর গেটের কাছে প্রায় সাড়ে ১২ একর জমিতে গড়ে উঠেছে নিউটাউনের এই মিনি জু। সেখানে হরিণ, জিরাফ, শিম্পাঞ্জি-সহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী রয়েছে। এবার বাঘের জন্য তৈরি হয়েছে বিশেষ এনক্লোজার। এর ৭০ শতাংশেরও বেশি অংশ খোলা রাখা হয়েছে। বাঘের বিশ্রামের জন্য তৈরি করা হয়েছে গুহার মতো জায়গা। পাশাপাশি রয়েছে ঘোরাফেরার পর্যাপ্ত পরিসর। কাচের দেওয়াল ও লোহার বেড়ার বাইরে থেকে বাঘ দেখতে পারবেন দর্শনার্থীরা। নিরাপত্তার জন্য এনক্লোজারের উপরের অংশে থাকবে বিদ্যুৎচালিত ব্যবস্থাও।এর আগে ২০২৩ ও ২০২৪ সালেও হরিণালয়ে বাঘ আনার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে নানা কারণে সেই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। এবার নতুন করে উদ্যোগ নেওয়ায় আগামী বছর নিউটাউনের মিনি জু-তে বাঘ দেখার সুযোগ তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে, বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে ছাড়া একটি বাঘিনি বর্তমানে অসমের রায়মনা জাতীয় উদ্যানের জঙ্গলে রয়েছে। বনদপ্তর সূত্রে খবর, বিহারের বাল্মিকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে বাঘিনিটিকে বক্সায় আনা হয়েছিল। বক্সায় বাঘের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই তাকে জঙ্গলে ছাড়া হয়। প্রথম কয়েক দিন বক্সার জঙ্গলে ঘোরাফেরা করলেও পরে ট্র্যাকিং ডিভাইসের মাধ্যমে তার গতিবিধি অনুসরণ করে দেখা যায়, সে অসম সীমান্তের দিকে এগিয়ে গিয়েছে। বর্তমানে বাঘিনিটি রায়মনার গভীর জঙ্গলে রয়েছে এবং সুস্থ রয়েছে বলে বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অসমের বনদপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন বনমন্ত্রী। বনকর্তাদের মতে, বক্সা ও রায়মনা একই প্রাকৃতিক ভূখণ্ডের অংশ হওয়ায় বাঘের এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যাতায়াত স্বাভাবিক। তবে বাঘিনিটি যাতে ফের বক্সার জঙ্গলে ফিরে আসে, তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *