নিজস্ব সংবাদদাতা :-পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ। আগামী ৪ তারিখ ফলাফল। তার আগে এখন গণনাকেন্দ্রকে ঘিরে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা। কিন্তু এরই মধ্যে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে অবস্থানে বসলেন বেলেঘাটা এবং শ্যামপুকুরের তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং শশী পাঁজা | ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রং রুমে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। বেলেঘাটা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং শ্যামপুকুরের প্রার্থী শশী পাঁজা অভিযোগ করেছেন যে, সিল করা স্ট্রংরুমের ভেতরে নিয়ম বহির্ভূতভাবে বাইরের লোক প্রবেশ করছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে দাবি করা হয়েছে, সিলড স্ট্রংরুমের ভেতরে অজানা ব্যক্তিদের ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। পোস্টাল ব্যালটে বড়সড় কারচুপি করার চেষ্টা চলছে।তৃণমূলের দুই প্রার্থীর অভিযোগ, “লাইভ স্ট্রিমিংয়ে দেখা যাচ্ছে ভিতরে কাজ হচ্ছে। হাতে হাতে ব্যালট ঘুরছে ভিতরে। অথচ সিইও বলছেন, ভিতরে কিছু হচ্ছে না। যদি পোস্টাল ব্যালটের কাজই হয়। তবে সেগুলি কোথা থেকে এল?” কুণালের প্রশ্ন, “আমাদের ই-মেল করা হলে কেন ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না?” শশী পাঁজাও বলেন, “স্ট্রংরুম অত্যন্ত স্পর্শকাতর। তা খুললে অবশ্যই প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে জানাতে হবে। কেন জানানো হল না?”এই ঘটনার ঠিক কয়েকঘণ্টা আগেই কর্মী ও রাজ্যবাসীর উদ্দেশে ভিডিওবার্তা দেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্ট্রংরুম থেকে ভোটগণনা কেন্দ্রে ইভিএম নিয়ে যাওয়ার সময় কোনও কারচুপি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার কথাও বলেন মমতা। সেই আশঙ্কা প্রকাশের পরই কমিশনের বিরুদ্ধে স্ট্রংরুমে সন্দেহজনক গতিবিধির অভিযোগে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে প্রতিবাদে সরব কুণাল ও শশীরা।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal