নিজস্ব সংবাদদাতা :-২০২৬-এর হাইভোল্টেজ নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ইভিএমে কারচুপির অভিযোগে সরব হয়ে তৃণমূলের ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’-কে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির অভিযোগ ইভিএমে তিন এবং চার বোতামের উপর ‘টেপ’ লাগানো। তিন নম্বরে রয়েছে বিজেপি প্রার্থী আর চারে সিপিএম। বিজেপির অভিযোগ, ভোটারেরা যাতে তাদের প্রার্থীকে ভোট দিতে না-পারেন, সেই কারণে ইচ্ছাকৃত ভাবে এই কাজ করেছে। বিজেপির অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট তলব করেছে। ফলতায় তৃণমূলের প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। নাম না-করে বিজেপির অভিযোগ সেই জাহাঙ্গিরের দিকে। অভিযোগ, বেশ কয়েকটি বুথে এমন ভাবেই ‘ভোট লুটের’ চেষ্টা করছে তৃণমূল। এটাকে ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ বলে উল্লেখ করেছে বিজেপি। বিরোধী দলের আরও অভিযোগ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এভাবেই ডায়মন্ড হারবারে জিতেছেন | পরে শুভেন্দু এ বিষয়ে বলতে গিয়ে ফলতার নির্দিষ্ট দু’টি বুথের উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ১৭০ এবং ১৮৯ নম্বর বুথের ইভিএমে ‘টেপ’ লাগানো হয়েছে। বিষয়টি তিনি শাহকে জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন শুভেন্দু।ফলতার বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডার অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে ইভিএমে পদ্ম প্রতীকের বোতামটি টেপ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল যাতে ভোটাররা তা দেখতে না পান বা ভোট দিতে না পারেন। দেবাংশু পান্ডা বলেন, “এটি তৃণমূলের একটি সুপরিকল্পিত চাল। ভোটারদের বিভ্রান্ত করতেই ইভিএমের বোতাম জ্যাম করে দেওয়া হয়েছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন রুখতেই এই ধরনের নোংরা পথ বেছে নিয়েছে শাসক দল।” এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুথের বাইরে বিজেপি সমর্থকদের বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করে।সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অভিযোগ সামনে আসতেই ওই ইভিএম রাতারাতি বদল করা হয়েছে। কিন্তু কেন এই ঘটনা তা জানতে ইতিমধ্যে কমিশনের তরফে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal