প্রসেনজিৎ ধর, কলকাতা :-বালিগঞ্জের প্রবীণ বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত করা হলেও, বিধানসভায় তাঁর বসার ঘর পাওয়া নিয়ে তৈরি হলো তীব্র আইনি ও রাজনৈতিক জটিলতা। সোমবারও বিধানসভার বিরোধী দলনেতার ঘরটি তালাবন্ধই রইল। এই ঘটনার নেপথ্যে উঠে এসেছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি, যাকে কোনোভাবেই মান্যতা দিতে রাজি নয় বিধানসভার সচিবালয়।বিধানসভা সচিবালয় সূত্রে খবর, কোনও দল কিংবা দলের সাধারণ সম্পাদকের লেটারহেডে লিখে এভাবে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার নাম জানানো নিয়ম বহির্ভূত। নিয়ম অনুযায়ী, তৃণমূলের জয়ী ৮০ জন বিধায়ক বিরোধী দলনেতা বাছাই করবেন। তা কোনও দল ঠিক করতে পারে না। বিধানসভার সচিবালয় থেকে এই মর্মে একটি চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই চিঠিতেই সাফ জানানো হবে, নিয়মবিরুদ্ধ উপায়ে বাছাই করা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে মোটেও বিরোধী দলনেতা হিসাবে মানা সম্ভব নয়। এই জটিলতার মাঝে সোমবার শোভনদেব বিধানসভার রুল বুক খতিয়ে দেখেন। এই নিয়মের কথা লেখা নেই বলেই জানিয়েছেন তিনি। নিয়ম জানতে চেয়ে আরটিআইয়ের চিঠিও জমা দেন। টানাপোড়েনের মাঝে এদিন বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ঘর খোলা হয়নি। তা তালাবন্ধই ছিল। শুধুমাত্র একটি ঘর বিরোধী দলের বিধায়কদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। সেই ঘরে গিয়েই বসেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ এবং চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় নেতৃত্বকে এই বিষয়টি জানিয়েছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal