দেবরীনা মণ্ডল সাহা, কলকাতা :- পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর জামিনের মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। জামিন চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সুজিত। সোমবারই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল। এরপর রায়দান স্থগিত রেখেছিলেন বিচারপতি ঘোষ। কিন্তু তার পরেই আচমকা মামলা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি।পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর জামিনের মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। জামিন চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সুজিত। সোমবারই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল। এরপর রায়দান স্থগিত রেখেছিলেন বিচারপতি ঘোষ। কিন্তু তার পরেই আচমকা মামলা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি।জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সুজিত বসুর এক আইনজীবী বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের চেম্বারে গিয়েছিলেন। সেই সময় চেম্বারে উপস্থিত ছিলেন না বিচারপতি। অভিযোগ, তাঁর অনুপস্থিতিতে ব্যক্তিগত সচিবের কাছে চেম্বারে থাকা মামলার ফাইল দেখতে চাওয়া হয়। বিষয়টি বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের নজরে আসে। ঘটনাটিকে ‘দুঃখজনক’ বলে উল্লেখ করে মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
পুরো বিষয়টি কলকাতা হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীকেও জানিয়েছেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। ফলে আপাতত মামলাটি প্রধান বিচারপতির কাছে রয়েছে। এবার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন কোন বেঞ্চে শুনানি হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।
বিচারপতির সরে দাঁড়ানোর খবর প্রকাশ্যে আসতেই হাই কোর্ট চত্বরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কারণ, সোমবারই জামিন মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল এবং রায়দান স্থগিত রেখেছিলেন বিচারপতি ঘোষ। তার পরদিনই এই সিদ্ধান্ত ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করে ইডি। দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বেআইনিভাবে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ঘুরপথে প্রায় ১৫০ জনকে চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই মামলাতেই বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী| জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সুজিত বসুর এক আইনজীবী বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের চেম্বারে গিয়েছিলেন। সেই সময় চেম্বারে উপস্থিত ছিলেন না বিচারপতি। অভিযোগ, তাঁর অনুপস্থিতিতে ব্যক্তিগত সচিবের কাছে চেম্বারে থাকা মামলার ফাইল দেখতে চাওয়া হয়। বিষয়টি বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের নজরে আসে। ঘটনাটিকে ‘দুঃখজনক’ বলে উল্লেখ করে মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি।পুরো বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীকেও জানিয়েছেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। ফলে আপাতত মামলাটি প্রধান বিচারপতির কাছে রয়েছে। এবার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন কোন বেঞ্চে শুনানি হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।
বিচারপতির সরে দাঁড়ানোর খবর প্রকাশ্যে আসতেই হাইকোর্ট চত্বরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কারণ, সোমবারই জামিন মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল এবং রায়দান স্থগিত রেখেছিলেন বিচারপতি ঘোষ। তার পরদিনই এই সিদ্ধান্ত ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করে ইডি। দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বেআইনিভাবে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ঘুরপথে প্রায় ১৫০ জনকে চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই মামলাতেই বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal