নিজস্ব সংবাদদাতা,কলকাতা :- তৃণমূলের আসল পরিচয় কোন শিবিরের? জোড়াফুল প্রতীকই বা শেষ পর্যন্ত কার হাতে থাকবে? দলের নাম ব্যবহারের অধিকারই বা কে পাবে? এই প্রশ্নগুলির উত্তর এখনও মেলেনি। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে গিয়ে নিজেদের দাবি ও অবস্থানের সমর্থনে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিল তৃণমূলের দুই শিবিরই। এবার কমিশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় দুই পক্ষ।কমিশনে নথি জমা দেওয়ার পর বাইরে বেরিয়ে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের শিবিরের দাবির পক্ষে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, কমিশনের তরফে যে প্রশ্নগুলি করা হয়েছিল, তার সমস্ত উত্তর দেওয়া হয়েছে। প্রতীক এবং দলের নাম নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখন কমিশনের হাতেই।ঋতব্রত বলেন, “আমাদের বক্তব্য আমরা বলেছি। সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। প্রতীক নিয়ে কী হবে, সেই সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনকে বলেছি। আমরা আশাবাদী যে রায় আমাদের পক্ষেই যাবে। কমিশন কী করবে সেটা বলেনি। আমরা তো আর কমিশনকে বলতে পারি না কিছু। ভরসা রাখতে হবে।”এর মধ্যেই রেজিনগর এবং নন্দীগ্রামে আসন্ন নির্বাচন ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। দুই আসনেই ঋতব্রত শিবিরের তরফে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নির্বাচনের আগে দলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে কমিশনের দ্রুত সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ।এদিন ঋতব্রত শিবিরের তরফে কালীঘাট শিবিরকেও কমিশনে ডাকা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্র। নিজেদের বক্তব্য এবং নথি কমিশনের কাছে পেশ করেন তাঁরা। কমিশনে নিজেদের দেওয়া তথ্য ও নথির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত তাঁদের পক্ষেই যাবে বলে পাল্টা দাবি করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “পার্টির নাম, প্রতীক নিয়ে শুধু উপনির্বাচনের জন্য কোনও অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ নয়, চূড়ান্ত নির্দেশ দিক জাতীয় নির্বাচন কমিশন।”এখন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর দুই শিবিরের। তবে কবে সেই সিদ্ধান্ত জানানো হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal