দেবরীনা মণ্ডল সাহা :- নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের জামিন নিয়ে এখনও কাটেনি আইনি জট। কলকাতা হাই কোর্টে তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে শুনানি চললেও একাধিক মামলার কারণে বিষয়টি এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। পুরনো মামলায় গ্রেফতারের পর বর্তমানে জেল হেফাজতেই রয়েছেন মিলন। ফলে ভোটের আগে তিনি প্রচারে ফিরতে পারবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা অব্যাহত। গত ১৫ সেপ্টেম্বর নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের জন্য কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন মিলন প্রধান। এর পর ১৮ সেপ্টেম্বর তাঁকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময়ের মধ্যেই ২০০৭ সালের পুরনো মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। আদালতের নির্দেশে আপাতত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন তিনি।জামিনের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মিলন। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে তাঁর হয়ে একাধিক মামলায় জামিনের আবেদন করা হয়। মোট ছ’টি মামলার মধ্যে চারটি মামলার শুনানি ইতিমধ্যেই হয়েছে। বাকি দু’টি মামলাও আদালতের বিবেচনায় রয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বরের শুনানিতে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, বাকি মামলাগুলির শুনানির পর জামিনের আবেদন নিয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। এর আগে ২৪ সেপ্টেম্বর কলকাতা হাই কোর্টের একটি বেঞ্চ ২০০৭ সালের একটি মামলায় মিলন প্রধানকে আপাতত গ্রেফতার হিসেবে গণ্য না করার নির্দেশ দিয়েছিল এবং নির্দিষ্ট মামলায় ১২ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশের কোনও পদক্ষেপে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। পরে ডিভিশন বেঞ্চ সেই সুরক্ষা খারিজ করে নিয়ম মেনে জামিনের আবেদন করার নির্দেশ দেয়।
এদিকে নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচন ৬ অক্টোবর। প্রার্থী জেল হেফাজতে থাকায় সরাসরি প্রচারে অংশ নেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তবে কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছে, প্রার্থী জেলে থাকলেও দলের নেতা-কর্মীরা এলাকায় প্রচার চালিয়ে যাবেন। ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের প্রচার শুরু হয়েছে।
ফলে ভোটের আগে মিলন প্রধান জামিন পান কি না এবং প্রচারে সরাসরি অংশ নেওয়ার সুযোগ পান কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal