দেবরীনা মণ্ডল সাহা, কলকাতা :-বাংলার মানুষের সুবিধার্থের একাধিক জনমুখী প্রকল্পের সূচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়| বাংলার মানুষের জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুরু করেন স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প। গরিব থেকে শুরু করে রাজ্যের সমস্ত মানুষই এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারে। বাংলার মানুষের কাছে এই কার্ড থাকলে আরও সুবিধা মিলবে এবার। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় হার্নিয়া, হাইড্রোসিল, ফিসারেক্টমি ও আর্থোস্কোপিক অস্ত্রোপচার করা যাবে বেসরকারি হাসপাতালে। এই মর্মে নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের অধীনে এত দিন এই চার ধরনের অস্ত্রোপচার বা প্রসিডিয়োর সরাসরি বেসরকারি হাসপাতালে করা যেত না। স্বাস্থ্য দপ্তরের যুক্তি ছিল, সরকারি হাসপাতালেই এই অস্ত্রোপচারের পরিকাঠামো ও পরিষেবা যথেষ্ট উন্নত। ফলে বিশেষ ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতাল অস্ত্রোপচার করতে অসমর্থ বলে লিখিত এনওসি দিলে তবেই হার্নিয়া, হাইড্রোসিল বা ফিশার রোগীদের বেসরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় চিকিৎসার অনুমতি মিলত। অন্যদিকে, দুর্ঘটনায় আহত রোগীর ক্ষেত্রে জরুরি আর্থ্রোস্কোপি বেসরকারি হাসপাতালে করা গেলেও ‘কোল্ড ওটি’ বা পরিকল্পিত অস্ত্রোপচারে সেই সুযোগ ছিল না।স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রের খবর, দীর্ঘদিনের পর্যবেক্ষণে দেখা গিয়েছে, ওই চারটি ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের তারিখ পেতে রোগীদের অনেক দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কোথাও আবার তারিখও মিলছে না, অথচ রোগীকে অপেক্ষা করে বসে থাকতে হচ্ছে। অন্যদিকে, আরও একটি বিষয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পর্যবেক্ষণে এসেছে, সরকারি হাসপাতালের এক শ্রেণির চিকিৎসক ইচ্ছাকৃতভাবে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ওই সমস্ত অস্ত্রোপচারের রোগীকে বেসরকারি হাসপাতালে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। সেখানে ওই চিকিৎসকই অস্ত্রোপচার করছেন। তবে ‘গেট কিপিং’ নির্দেশিকা কিছুটা শিথিল করলেও, কোন চিকিৎসকেরা ওই অস্ত্রোপচার করতে পারবেন তা স্পষ্ট করেছে স্বাস্থ্য দফতর |
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal