Breaking News

রাজ্যের মুকুটে জোড়া পালক!গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি, কনকচূড় চালের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পকেও শংসাপত্র রাষ্ট্রপুঞ্জের

দেবরীনা মণ্ডল সাহা, কলকাতা :- ফের রাজ্য সরকারের কর্মসূচি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল। পশ্চিমাঞ্চলের রুক্ষ, অনুর্বর জমিতে কৃষিকাজের উন্নতির জন্য সরকারের ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পকে বিশেষ স্বীকৃতি দিলো রাষ্ট্রপুঞ্জ। বুধবার এই খবর জানিয়ে এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মমতা ওই পোস্টে লেখেন, ‘আমাদের রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ২০২০ সালে আমরা যে পথপ্রদর্শক ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্প শুরু করেছিলাম, তার বিপুল সাফল্যের জন্যই আন্তর্জাতিক স্তরের এই প্রশংসাপত্র।’পাশাপাশি, সুগন্ধি চাল— গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি এবং কনকচুরকে আন্তর্জাতিক ‘খাদ্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্য’ হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে এ কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, ‘এই গৌরব আমি গ্রামবাংলার সকল মানুষ, বিশেষ করে বাংলার কৃষক ভাই-বোনদের উৎসর্গ করছি।’২০২০ সালে কৃষকদের জন্য মাটির সৃষ্টি প্রকল্প চালু করে রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পের অধীনে পশ্চিমাঞ্চলের রুক্ষ, অনুর্বর ও একফসলি জমিকে উর্বর, বহুফসলি, ও বছরভর চাষযোগ্য করে তোলার কর্মসূচি নেওয়া হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘সুজলা ও উর্বর এইসব জমিতে এখন শাকসবজির ফলন ও ফলের চাষও হচ্ছে। পুকুর খনন ও অন্যান্য নতুন সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে জলের জোগান নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে এবং গ্রামীণ পরিবারগুলির আয় বহুগুণ বেড়েছে।বাংলার বিখ্যাত সুগন্ধি চাল— গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি এবং কনকচূড়কে আন্তর্জাতিক ‘খাদ্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। মমতা বলেন, ‘প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য এবং আমাদের খাদ্য সংস্কৃতি রক্ষার ক্ষেত্রে এইসব আন্তর্জাতিক সম্মান বাংলার কাজের এক বিশাল স্বীকৃতি। এই গৌরব আমি গ্রামবাংলার সকল মানুষ, বিশেষ করে বাংলার কৃষক ভাই-বোনদের উৎসর্গ করছি।’

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *