Breaking News

রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবকে ‘স্বামী’ সম্বোধন! মোদীকে ফের ‘বাঙালি সংস্কৃতি’ নিয়ে নিশানা মমতার

প্রসেনজিৎ ধর, কলকাতা :- রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মতিথিতেও বিতর্ক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এক্স মাধ্যমে করা পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংসদে প্রধানমন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ‘বঙ্কিম দা’ সম্বোধন করায় বিতর্কের ঝড় উঠেছিল। আর এবার রামকৃষ্ণ দেবকে ‘স্বামী’ সম্বোধন করায় প্রশ্ন তুলল তৃণমূল। এভাবে বাংলার সংস্কৃতিকে অপমান করা হয়েছে বলে এক্স মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মমতা। বিজেপির দাবি, সম্বোধনে কিছু যায় আসে না, শ্রদ্ধাটাই আসল।এক্স হ্যান্ডলে এদিন প্রধানমন্ত্রী পোস্ট করেন, ‘স্বামী রামকৃষ্ণ পরমহংসজিকে তাঁর জন্ম জয়ন্তীতে শ্রদ্ধাঞ্জলী জানাই। তিনি আধ্যাত্মিক সাধনাকে যে ভাবে জীবনীশক্তি রূপে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, প্রতিটি যুগে তা মানবতার কল্যাণ করবে। তাঁর সুবিচার এবং বার্তা সর্বদাই প্রেরণামূলক।’কেন নিয়ে ক্ষোভ মমতার?এক্স পোস্টে মমতা লেখেন, ‘আমি আবার স্তম্ভিত। বাংলার মণীষির প্রতি তাঁর চূড়ান্ত অসংবেদনশীলতার পরিচয় আবারও দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ যুগাবতার শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মতিথি। সেই উপলক্ষে এই মণিষীকে সম্মান জানাতে গিয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যুক্ত করেছেন স্বামী শব্দটি। রামকৃষ্ণদেব সকলের কাছে ঠাকুর হিসেবে পূজিত হন। তাঁর প্রয়াণের পর তাঁর শিষ্যরা তৈরি করেছিলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন। সন্ন্যাসীদের স্বামী বলা হলেও আচার্য রামকৃষ্ণদেবকে ঠাকুর হিসেবেই সম্বোধন করা হয়। তাঁর নির্দেশেই শিষ্যদের নামের আগে স্বামী শব্দ ব্যবহার করা হয়।’ মমতা আরও বলেন, ‘তিন জনকে আমরা ঠাকুর-মা-স্বামীজি, এই পবিত্র নামেই ডাকি। ঠাকুর অর্থাৎ শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, মা অর্থাৎ মা সারদা এবং স্বামীজি হলেন স্বামী বিবেকানন্দ।’মমতার অনুরোধ, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করছি দয়া করে বাংলার নবজাগরণের মণিষীদের নামের আগে এবং পরে নিত্য নতুন শব্দ আমদানি করে বসাবেন না।’

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *