Breaking News

‘বাড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিক, তবু মাথা নত করব না’, পুরসভার নোটিস নিয়ে শুভেন্দু সরকারকে কড়া চ্যালেঞ্জ অভিষেকের!

প্রসেনজিৎ ধর, কলকাতা :- নতুন করে চর্চায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটি বাড়ি। একটি হরিশ মুখার্জী রোডের শান্তিনিকেতন, অন্যটি কালীঘাট রোডের। কারণ, পুরসভার নোটিস। অবশেষে এনিয়ে মুখ খুললেন অভিষেক। মঙ্গলবার বিকেলে বিধায়কদের বৈঠকে তিনি বলেন, “আমার বাড়ি ভেঙে দিক, নোটিস পাঠাক। আমি এসবের কাছে মাথা নত করব না।” শুভেন্দু অধিকারীর মতো মানসিকতার মুখ্যমন্ত্রী বাংলা আগে দেখেনি বলেও মন্তব্য করলেন তিনি। দু’টি নোটিস পাঠিয়েছে পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ। কলকাতা পুর আইন, ১৯৮০ -এর ৪০০(১) ধারায় ওই নোটিস পাঠানো হয়েছে। ওই ধারায় বলা আছে, কোনও বাড়ি বা নির্মাণের প্ল্যান-বহির্ভূত অবৈধ অংশ ভাঙার বা কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দিতে পারেন পুর কমিশনার। তবে ভাঙার আগে সংশ্লিষ্ট ওই সম্পতির মালিককে নোটিস পাঠাতে হবে পুরসভাকে। ওই আইনেই লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডস এবং লতার নামে এ বার নোটিস পাঠানো হয়েছে।ওই জোড়া নোটিসে দু’টি ঠিকানার কথা উল্লেখ করা হয়েছে— ভবানীপুর বিধানসভার ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের ১২১, কালীঘাট রোড এবং ১৮৮এ হরিশ মুখার্জি রোড। নোটিসে বলা হয়েছে, ওই দুই ঠিকানায় যে নির্মাণ রয়েছে তাতে প্ল্যান-বহির্ভূত কিছু অংশ তৈরি করা হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে ওই অবৈধ অংশ ভেঙে ফেলতে হবে। যদি ওই অবৈধ অংশ সম্পত্তির মালিক না-ভাঙেন, তবে তা পুরসভা কেন ভেঙে দেবে না, তার কারণ দর্শাতে হবে। সাত দিনের মধ্যে পুরসভাকে নোটিসের জবাব পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি সেই জবাব সন্তোষজনক না-হয় তবে পুরসভা সাত দিনের কম নোটিসে ওই অবৈধ অংশ ভেঙে দেবে। আর এই কাজ করতে পুরসভার যা খরচ হবে, তা দিতে হবে ওই সম্পত্তির মালিককে। শুধু তা-ই নয়, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির বিল্ডিং প্ল্যান, অনুমোদিত নকশা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র পুরসভাকে জমা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার বিকেলে কালীঘাটে বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়। সেখানেই বাড়ির একাংশ ভেঙে দেওয়ার নোটিস নিয়ে মুখ খোলেন অভিষেক। বলেন, “ওরা যা খুশি করুক। আমার বাড়ি ভেঙে দিক, নোটিস পাঠাক। আমি এসবের কাছে মাথা নত করব না। যা-ই হোক না কেন, বিজেপির বিরুদ্ধে আমার লড়াই চলবেই।”

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *