Breaking News

বাংলাদেশ সীমান্তে মুখ্যমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে শাহ, সীমান্ত নিরাপত্তা পর্যালোচনার পাশাপাশি উদ্বোধন করলেন ৭৭ কোটির প্রকল্প!

নিজস্ব সংবাদদাতা:-পশ্চিমবঙ্গে এসে সীমান্ত সুরক্ষা পর্যালোচনা করলেন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শিলিগুড়িতে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নানা বিষয় নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেন তিনি। সেই সঙ্গে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর জন্য মোট ৭৭ কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনা ও উদ্বোধন করেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং উত্তরবঙ্গের মন্ত্রী ও সাংসদ এবং বিধায়কেরা। সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর শীর্ষ কর্তাদের নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শনিবার শিলিগুড়ির অদূরে ফুলবাড়ি লাগোয়া জুমাগাছ সীমান্ত চৌকি পরিদর্শনে যান। ওপারে বাংলাদেশের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ও সীমান্ত চৌকি।‌ সেটি বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলায় অবস্থিত একমাত্র স্থলবন্দর। ওই বন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ভারত ছাড়াও ভুটান ও নেপালের সঙ্গে বাণিজ্য করে থাকে। শিলিগুড়ির অদূরে অবস্থিত ‘চিকেন নেক’ থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বের এই এলাকার সুরক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশ তাদের উত্তর প্রান্তে সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি করায় ভারতকেও সতর্ক অবস্থান নিতে হচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের সঙ্গে চিনের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতাকে বিবেচনায় রেখে পদক্ষেপ করছে ভারতীয় নিরাপত্তা এজেন্সিগুলি। যুদ্ধবিমান কেনা এবং তিস্তা মহা পরিকল্পনা প্রকল্প বাস্তবায়নের ভার চিনকে দেওয়ায় পাকিস্তানের মতোই বাংলাদেশকে ঘিরেও ভারতের নিরাপত্তা প্রশ্নটি জোরালো হয়ে উঠছে। এই প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সীমান্তে সুরক্ষা জোরদার করা এবং নিরাপত্তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
সরকারি সূত্রের খবর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএসএফের জুমাগাছ সীমান্ত চৌকি থেকে মোট ১৪টি সীমান্ত চৌকির স্মার্ট ফেন্সিংয়ের উদ্বোধন করেন। স্মার্ট ফেন্সিংয়ের বৈশিষ্ট্য হলো, সেখানে কাঁটাতার কেউ স্পর্শ করা মাত্র লাগোয়া বিএসএফ ক্যাম্পে সংকেত চলে যাবে। অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান আটকাতে ভারত সরকার সীমান্তে এই ধরনের সর্তকতা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে পশ্চিমবঙ্গেরই। এছাড়া অসম মেঘালয় মিজোরাম এবং ত্রিপুরার সঙ্গে পড়শি দেশের সীমান্ত আছে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তের প্রায় ৫০০ কিলোমিটার এলাকায় এখনও কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া বাকি আছে। জমি হাতে পাওয়ায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী দ্রুত সেই কাজ সমাপ্ত করতে চাইছে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *