Breaking News

নেতাজিকে নিয়ে ‘কুরুচিকর’ মন্তব্যের প্রতিবাদে স্বাধীনতা দিবসেই উত্তাল মালদা, ২৪ ঘণ্টার মৌন অনশনে নেতাজিপ্রেমী নাগরিকরা!দ্বিতীয় দিনেও চলে অবস্থান

প্রসেনজিৎ ধর :- স্বাধীনতা দিবসেই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে করা মন্তব্যের প্রতিবাদে পথে নামলেন মালদার নেতাজিপ্রেমী নাগরিকরা| কোচবিহারের সাংসদ অনন্ত মহারাজের নেতাজিকে নিয়ে করা মন্তব্য এবং নেতাজির মূর্তি ভাঙার ঘটনার প্রতিবাদে হবিবপুর থানার বুলবুলচণ্ডীর অনাইল এলাকায় শুরু হয় ২৪ ঘণ্টার মৌন অনশন। স্বাধীনতা দিবসের দিন দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলে।অনশন মঞ্চে বসে নেতাজির প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শনের পাশাপাশি তাঁর মর্যাদা রক্ষার দাবিতে প্রতিবাদ জানান আন্দোলনকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম বীর সেনানী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে কোনও ধরনের অসম্মানজনক বা কুরুচিকর মন্তব্য তাঁরা মেনে নেবেন না।টানা ২৪ ঘণ্টা অনশনের পর জল ও সামান্য খাবার গ্রহণ করে আন্দোলনকারীরা অনশন ভঙ্গ করেন। তবে অনশন শেষ হলেও তাঁদের প্রতিবাদ থামেনি।

দ্বিতীয় দিনেও ঘটনাস্থলে অবস্থান করে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের এই কর্মসূচিকে সমর্থন জানাতে প্রতিদিনই বহু মানুষ অনশন মঞ্চে এসে উপস্থিত হচ্ছেন।এদিকে, নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে অনশনস্থলে হবিবপুর থানার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, সে বিষয়ে নজর রাখা হয় পুলিশের তরফে।অনশন শেষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নেতাজির প্রসঙ্গ উঠতেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন আন্দোলনকারী কুনাল রায়।

নেতাজির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে কথা বলতে বলতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। তাঁর আবেগঘন বক্তব্যে অনশন মঞ্চেও তৈরি হয় আবেগের পরিবেশ।কুনাল রায়ের বক্তব্য, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু শুধু একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী নন, তিনি দেশের মানুষের আবেগ ও গর্বের প্রতীক। তাই তাঁকে নিয়ে কোনও ধরনের কুরুচিকর মন্তব্য কোনওভাবেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। নেতাজির সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার দাবিতেই এই মৌন অনশন এবং প্রতিবাদ কর্মসূচি বলে জানান তিনি।আন্দোলনকারীদের দাবি, নেতাজিকে নিয়ে অসম্মানজনক মন্তব্য এবং তাঁর মূর্তি ভাঙার মতো ঘটনার বিরুদ্ধে আরও জোরালো প্রতিবাদ প্রয়োজন। তাঁদের বক্তব্য, নেতাজির আদর্শ, সম্মান ও স্মৃতিকে অক্ষুণ্ণ রাখতে আগামী দিনেও তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *