Breaking News

‘অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিয়েছে তৃণমূল’, কলকাতায় এসে মমতা ও ‘ইন্ডিয়া’ জোটকে তীব্র আক্রমণ স্মৃতি ইরানির!

প্রসেনজিৎ ধর,কলকাতা :-‘জ্ঞানেশ কুমারকে সরাতে হবে’, এই দাবিতে সরব বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। অন্যদিকে, বিরোধীদের পালটা জবাব দিতে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। সেই কর্মসূচিকে সামনে রেখেই মঙ্গলবার দুপুরে কলকাতায় আসেন বিজেপি নেত্রী তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। শহরে পা রেখেই অনুপ্রবেশ ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করেন তিনি। একইসঙ্গে কংগ্রেস-সহ গোটা বিরোধী জোটের বিরুদ্ধে সুর চড়ান স্মৃতি। তাঁর কটাক্ষ, “কংগ্রেস আগেও নির্বাচনে হারত। এখন হেরে নির্বাচন কমিশনকে দোষারোপ করছে।”এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে স্মৃতি ইরানির পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বিরোধী দলগুলিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, “অধীর দা, সিপিএম এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একসঙ্গে মিছিল করে দেখান।”উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই নির্বাচনে পরাজয়ের জন্য নির্বাচন কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে দায়ী করে আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়েও একাধিকবার সরব হয়েছেন তিনি। পরবর্তীকালে একটি সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রতিবাদ আরও তীব্র হয়। সেই আবহেই কলকাতায় এসে মুখ্যমন্ত্রীকে পালটা আক্রমণ করেন স্মৃতি ইরানি। তাঁর অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে ভোটার তালিকায় অনুপ্রবেশকারীদের নাম জায়গা পেয়েছে। তাঁর কটাক্ষ, বাংলায় এই নিয়ে আন্দোলন না করে বিরোধীরা দিল্লিতে গিয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।শুধু তৃণমূল নয়, কংগ্রেস-সহ ‘ইন্ডিয়া’ জোটের দলগুলিকেও নিশানা করেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। স্মৃতির দাবি, কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনে পরাজিত হচ্ছে। এখন সেই ব্যর্থতার দায় নির্বাচন কমিশনের উপর চাপানো হচ্ছে। ২০২৪ সালের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেই সময় জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ছিলেন না। পাশাপাশি, মোদি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এবং দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে বিদেশের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। স্মৃতির বক্তব্য, “রাহুল গান্ধী লন্ডনে গিয়ে বলছেন, মোদিকে হারাতে চান।”অন্যদিকে, বিরোধীদের দিল্লিমুখী আন্দোলন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, বাংলার মাটিতে অধীর চৌধুরী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সিপিএম একসঙ্গে মিছিল করে দেখাক। রাজ্যে একসঙ্গে আন্দোলন না করে দিল্লিতে গিয়ে বিরোধীরা হাত মেলাচ্ছেন বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *