Breaking News

অভিষেকের পাশে দাঁড়িয়ে দুঃসহ যন্ত্রণার বিবরণ ২ পরিযায়ী শ্রমিকের!সুকান্ত মজুমদারকে ‘স্টপেজ মিনিস্টার’ বলে কটাক্ষ

প্রসেনজিৎ ধর :-বাংলায় কথা বলায় হেনস্থা, অভিযোগ এমনটাই। মহারাষ্ট্রে কাজের উদ্দেশে গিয়ে অপমান ও হয়রানির শিকার হন দক্ষিণ দিনাজপুরের তপনের বাসিন্দা অসিত সরকার ও তাঁর সঙ্গীরা| বুধবার তাঁদের বাড়িতে গিয়ে দেখা করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় |মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ শাসক শিবিরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁরা।মহারাষ্ট্রে জেলবন্দি থাকা অসিত সরকার বলেন, “৭ মাস মহারাষ্ট্রে জেলে ছিলাম। কী কষ্ট করেছি তা একমাত্র আমরা জানি। বাড়ির সকলে খুব কষ্ট করেছি। সাত মাস ধরে জেল খাটলাম। বের করার অবদান তৃণমূলের। এই অবদান ভোলা যাবে না। যারা ভুলবে তারা অমানুষ। বাড়ি ফিরে বউ, বাচ্চার হাসি দেখে ভালো লাগল। মমতা ও অভিষেককে ধন্যবাদ। এঁদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ।”অসিত ও গৌতমদের দাবি, অবৈধভাবে আটক করে প্রত্যেকের কাছ থেকে মুক্তির শর্তে ১.৫ লক্ষ টাকা করে দাবি করা হয়েছিল। সেই সময়ে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব ও সাংসদের কাছে সাহায্য চেয়েও লাভ হয়নি। যা শুনে অভিষেক বলেন, “বাংলাদেশি তকমা দিয়ে মহারাষ্ট্রের জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের পরিবার স্থানীয় সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের কাছে গিয়েছিলেন। মহারাষ্ট্রে বিজেপি, কিন্তু সুকান্ত কিছু করেননি। আমরা জানতে পেরে কাঠখড় পুড়িয়ে ছাড়িয়ে এনেছি।”এখানেই না থেমে অভিষেক এও বলেন, “এখানে তৃণমূল, বিজেপি কীসের। রাজনীতি করা মানে তো মানুষের পাশে দাঁড়ানো। যাঁরা আপনাকে জিতিয়েছে তাঁদের প্রতি আপনাদের দায়িত্ব, কর্তব্য নেই?” সুকান্তবাবুকে ‘ফ্যাশন শোয়ের মাস্টার’, ‘স্টপেজ মিনিস্টার’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।যাঁর জবাবে সুকান্ত মজুমদারের পাল্টা বক্তব্য, “তৃণমূলের আমলে বালুরঘাটের কী কাজ হয়েছিল, আর আমার আমলে কী কী কাজ হয়েছে তা মানুষ জানেন। ভোট বাক্সেই মানুষ এর জবাব দেবে।”

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *