প্রসেনজিৎ ধর, কলকাতা :- ব্রিগ্রেডের মঞ্চ থেকে ফের সন্দেশখালির প্রসঙ্গ টানলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি| বাংলায় অপরাধ বাড়ছে এবং মহিলাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘এখন মায়েরা ফোন করে বলে সন্ধ্যা নামার আগে মেয়েরা বাড়ি ফিরে এসো |”এদিন ব্রিগেডে মোদীর ভাষণ ছিল অদ্ভুত মেলানো মেশানো। তৃণমূলকে আক্রমণের শুরুটা হয়েছিল বাংলা ছবির গান দিয়ে, আর শেষটা রবীন্দ্রনাথের পূজা পর্যায়ের গানে। তৃণমূলের ‘মা-মাটি-মানুষ’ স্লোগানকে কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বামেদের হঠিয়ে অনেক আশায় বাংলার মানুষ তৃণমূলকে এনেছিলেন। কিন্তু আজ পরিস্থিতি এমন যে বাংলার মা নিঃস্ব, মাটি লুণ্ঠিত আর মানুষ রাজ্য ছেড়ে চলে যাচ্ছে।”প্রধানমন্ত্রীর দাবি, ২০২৬-এর এই লড়াই কেবল গদি দখলের নয়, বরং ‘বাংলার আত্মাকে বাঁচানোর’ লড়াই। তিনি বলেন, “কেউ কেউ ভয় দেখাবেন, কেউ বলবেন বদল সম্ভব নয়। কিন্তু বাংলার মানুষ যখন ঠিক করে নেন, তখন ইতিহাস বদলে যায়’। এবারের ভোটকে কাটমানি আর ভয় থেকে মুক্তির ভোট বলে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী। ব্রিগেড চলোর এই জনসমুদ্র দেখে তিনি যে আসন্ন পরিবর্তনের পায়ের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন, সে কথা জানাতেও ভোলেননি মোদী। তাঁর কথায়, তৃণমূল সরকারের যাওয়ার কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। বিজেপি সরকার তৈরি হওয়ার পরে সকলের উন্নয়ন হবে। অন্য দিকে সব কিছুর হিসাব হবে। তৃণমূলের গুন্ডারা যারা আপনাদের ভয় দেখায়, তাদের খারাপ দিন আসছে। আইনের শাসন হবে। অপরাধীদের একটাই জায়গা জেল… জেল।’’প্রধানমন্ত্রী ব্রিগ্রেড থেকে দাবি করেন, ‘‘বাংলার জনগণ আওয়াজ তুলছে চাই বিজেপি সরকার| চোর যে এটা বাংলার প্রতিটি মানুষ জানে| আজ বিজেপি কর্মীদের এই মিছিলে আটকানোর জন্য সব রকম হাতিয়ার ব্যবহার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বাস ভেঙেছে পোস্টার লাগিয়েছে | কিন্তু আজকের জনসভা বন্ধ করতে পারেনি |
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal