Breaking News

এসআইআরের কাজের চাপে বিএলও-র মৃত্যু! পরিবার দায়ী করল কমিশনকে

প্রসেনজিৎ ধর :- রাজ্যের আরও এক বিএলও-র মৃত্যু | পরিবারের অভিযোগ, এসআইআরের কাজের চাপে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক আবুল বরকত।রাজ্যে এসআইআরের কাজ শেষ হয়েছে। ৬০ লক্ষ মানুষের নাম বিচারাধীন রয়েছে। তথ্য যাচাই করবেন আদালতের বিচারকরা। সেই নির্দেশ সুপ্রিম কোর্ট দিয়েছে। রাজ্যের একাধিক জায়গায় সেই কাজ চলছে। সেই ঘটনার মধ্যেই ফের এক বিএলওর মৃত্যু। আর এই মৃত্যুতেও জড়িয়ে গেল এসআইআরের নাম। এসআইআরের কাজের চাপ ও আতঙ্কের জেরেই ওই মৃত্যু বলে বিএলওর পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ।আবুলের বাড়ি মালদহের কালিয়াচকের সুজাপুরে। সুজাপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বামনগ্রাম–মসিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৫৩ নম্বর বুথের বিএলও হিসাবে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। দীর্ঘ দিন ধরে নয় মৌজা সুবহানিয়া হাই মাদ্রাসার শিক্ষক হিসাবে কর্মরত ছিলেন আবুল। পরিবার সূত্রে খবর, শুক্রবার ভোর প্রায় সাড়ে ৫টা নাগাদ হঠাৎ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন আবুল। মালদহ মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মাসখানেক আগে ওই সুজাপুরেই কালিয়াচক হাই স্কুলের শিক্ষক আনিকুল আলম তথা বিএলও হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, সাম্প্রতিক ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় বহু ভোটারের নাম ‘অ্যাডজুডিকেশন’ বা ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায় থাকার ফলে চাপ বাড়ছে বিএলও-দের উপর। আবুল যে বুথের বিএলও ছিলেন, সেখানে ভোটার সংখ্যা কমবেশি ১৩০০। তার মধ্যে ৮৫০ জনের নামই চূড়ান্ত তালিকায় ‘বিবেচনাধীন’। ওই নিয়ে ভোটারদের চাপের মুখে পড়েন বিএলও।মৃতের পরিবার ও আত্মীয়দের অভিযোগ, যাদের নাম বিচারাধীন, তাঁরা বাড়িতে গিয়ে চাপ দিচ্ছিলেন। বিচারকদের সামনে বিচারাধীন ব্যক্তিদের তথ্য তুলে ধরতে হবে বিএলওদের। সেই বিষয়েও দীর্ঘক্ষণ করে কাজ করতে হচ্ছিল তাঁকে! আজ, শুক্রবার ভোররাতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে দ্রুত মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *