Breaking News

আইপ্যাকের কর্ণধারের বাড়িতে ইডির হানা !’আমার নামে মিথ্যে কেস বানিয়ে…,’ অফিস থেকে তথ্য চুরির অভিযোগ মমতার

প্রসেনজিৎ ধর, কলকাতা :-বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা নাগাদ ইডি হানা দেয় আই-প্যাকের কর্ণধার ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের বাড়িতে | তদন্তকারী সংস্থার উপস্থিতির সেই খবর ছড়াতেই কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়| তাঁর পাশাপাশি প্রতীকের অফিসে পৌঁছে যান কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ ভার্মা। পরে সেখানে হাজির হন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী, রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু এবং বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারকেও দেখা যায় প্রতীকের অফিসে।সূত্রের খবর, প্রতীক জৈনের বাড়িতে গিয়ে প্রতীক জৈনের সঙ্গে সামনাসামনি কথা হয় মুখ্যমন্ত্রীর। প্রতীক জৈনকে আশ্বাস দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “তুমি চিন্তা কোরো না, দল আছে, আমি আছি”। মমতার ডাক পেয়ে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, ও প্রধান সচিব মনোজ পন্থ পৌঁছে যান আই-প্যাকের অফিসে। সেক্টর ফাইভ পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন তাঁরা।আইপ্যাকের অফিসে ঢুকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের মুখোমুখি হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা অভিযোগ করেন, “তোমরা সব চুরি করতে এসেছ। এটা কী ধরনের অভিযান? আমার এখানে অনেক নথি রয়েছে সেগুলি তোমরা নিতেই এসেছ।” আইপ্যাকের অফিসে ঢুকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের উদ্দেশ্যে এমনই মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে সূত্রের খবর। মমতা সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিযোগ করেন, তাঁর দলের রাজনৈতিক কৌশল ছিনতাই করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্থার অভিযানের নেপথ্যে বিজেপিকে দায়ী করেন তিনি।মমতার এই অভিযোগের মাঝে ইডির একটি বক্তব্য কেন্দ্রীয় সংস্থার বিভিন্ন সূত্র মারফত সংবাদমাধ্যমে পৌঁছয়। সেখানে বলা হয়, তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই এই অভিযান। পশ্চিমবঙ্গের ছ’টি এবং দিল্লির চারটি জায়গায় (মোট ১০টি জায়গায়) বেআইনি কয়লা পাচার মামলায় তল্লাশি চলছে। কিন্তু সাংবিধানিক পদের অপব্যবহার করে দু’টি জায়গা থেকে তল্লাশির মধ্যেই নথি ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর পরেই হাই কোর্টে যায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। পাল্টা ইডি-র বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ দায়ের করেছে বিধাননগর পুলিশ।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *