প্রসেনজিৎ ধর, কলকাতা :- সল্টলেকে আইপ্যাক-এর দফতর থেকে বেরোতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন ইডির আধিকারিকেরা। উঠল ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। ইডির উদ্দেশে ‘বিজেপির দালাল’ বলেও স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকেরা। ওঠে ‘জয় বাংলা’ ধ্বনিও। বিক্ষোভ এবং স্লোগানের মধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় আইপ্যাক-এর দফতর ছাড়েন ইডির আধিকারিকেরা।বৃহস্পতিবার দুপুরে সল্টলেকে আইপ্যাকের দফতরে ইডির তল্লাশি অভিযান চলছিল| সংস্থার প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়িতে যেমন নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তেমনই আইপ্যাকের অফিস থেকেও একাধিক ফাইলের বান্ডিল নিয়ে বেরোতে দেখা যায় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের |অন্যদিকে, সকাল থেকেই যখন প্রতীকের বাড়িতে অভিযান চলছিল, সেই খবর পেয়ে বেলা ১২টা নাগাদ সেখানে পৌঁছে যান কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা। তার কয়েক মিনিটের মধ্যে সেখানে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে গিয়ে অভিযোগ করেন, ভোটের কৌশল সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি জোর করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দলের কাগজপত্র ও তথ্য লুট করা হয়েছে। পরে আইপ্যাকের অফিসেও ছুটে যান তৃণমূলের সর্বময় নেত্রী।আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈন সল্টলেকের সেক্টর ফাইভের দফতরে পৌঁছোনো পর্যন্ত সেখানেই ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতীক পৌঁছোনোর পর আইপ্যাক-এর দফতর ছাড়েন তিনি। তবে তৃণমূলের অন্য নেতাকর্মীরা আইপ্যাক-এর দফতরের বাইরেই রয়ে গিয়েছিলেন। ছিলেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী এবং সব্যসাচী দত্তও।
সন্ধ্যা পর্যন্ত সল্টলেকের ওই বহুতল ভবনের বাইরে একটি জটলা হয়ে ছিল। তা ছিল মূলত তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদেরই ভিড়। দিনভর তল্লাশির পরে সন্ধ্যায় ইডির আধিকারিকেরা আইপ্যাক-এর দফতর থেকে বেরোতেই তাঁদের গাড়ি ঘিরে ধরেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। উঠতে থাকে স্লোগানও। এই উত্তেজনাময় পরিস্থিতির মাঝেই আইপ্যাক-এর দফতর ছাড়েন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal