নিজস্ব সংবাদদাতা :- তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের সল্টলেকের অফিস এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে ইডির তল্লাশির ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার থেকেই সরগরম রাজ্য রাজনীতি| এদিন ইডির তল্লাশির মাঝেই প্রতীকের বাড়িতে ছুটে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় | অবশেষে, শুক্রবার এ বিষয়ে মুখ খুললেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড |আইপ্যাকের অফিসে ইডি হানা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অভিষেক বলেন, “এরা ইডিকে ব্যবহার করবে। ভোটার লিস্টে তৃণমূলের জন্য অ্যাপ তৈরি করেছে যাতে মানুষের অসুবিধা না হয়। দিদির দূত বলে আইপ্যাক ওই অ্যাপ তৈরি করেছে। কিন্তু এসআইআরে তৃণমূলের জন্য কাজ করছে, কেন গরিব মানুষের সাহায্য করছে তার জন্য কালকে ইডি পাঠিয়ে রেইড করেছে। আর সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার ইসিকে পাঠিয়ে হরণ করছে। এই হচ্ছে বিজেপির ফর্মুলা।” সুর আরও চড়িয়ে বলেন, “তোমাদের কাছে সব আছে ভাই, মানুষ নেই। তৃণমূলের কাছে কিছু নেই, মানুষ আছে। খেলা হবে। গণতন্ত্রে গণদেবতা তো শেষ কথা বলে। অমিত শাহ তো ভোট দেবে না, নরেন্দ্র মোদী তো ভোট দেবে না, মিডিয়ার লোক তো ভোট দেবে না। ভোট দেবে তো খেটে খাওয়া মানুষ, শ্রমিক-কৃষক-মা-ভাইয়েরা। এমন জবাব দেবেন যেন ওদের অহংকার ভেঙে যেন চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়।”এদিন মতুয়াগড় তাহেরপুরের সভামঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, ‘‘আইপ্যাক বলে একটা সংস্থা আছে। যারা আমাদের হয়ে কাজ করছে। SIR-এ সাধারণ মানুষের হয়ে কাজ করছে। কেন করবে? তাই কাল আই প্যাকের অফিসে ইডি পাঠিয়েছে। তোমাদের কাছে সব আছে। আমাদের কাছে মানুষ আছে। ১০-০ গোলে হারবে।’’
অভিষেকের মন্তব্য, ‘‘আমাকে অনেকবার ইডি, সিবিআই ডেকেছে। আমার পরিবারের কাউকে ছাড়েনি। গলা কেটে দিলেও মাথা নীচু হবে না। এই শিরদাঁড়া বিক্রি নেই।’’প্রসঙ্গত, শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়াতেও ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন অভিষেক৷ যদিও, সেখানেও সরাসরি আইপ্যাক কাণ্ডের কোনও উল্লেখ করেননি তৃণমূল সাংসদ৷ এদিন এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ গণতন্ত্র শাস্তির মুখে। পুরস্কৃত অপরাধীরা। নির্বাচনে কারসাজি। ধর্ষকদের জামিন দেওয়া হয়। আর প্রতিবাদীদের পাঠানো হয় জেলে। এটাই বিজেপির নতুন ইন্ডিয়া।’
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal