Breaking News

‘বিজেপি-কে ভোট দেওয়া মানে সিপিএম-কেই দেওয়া!’ মেদিনীপুরে গিয়ে বাম-বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ অভিষেকের

প্রসেনজিৎ ধর :- ভোটের ঠিক আগে পশ্চিম মেদিনীপুরে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভাকে কেন্দ্র করে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। মেদিনীপুরে জেলা সফরে এসে সভামঞ্চ থেকে বিজেপি ও সিপিএমকে একযোগে তীব্র আক্রমণ করেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।এদিন বক্তব্যের প্রথম থেকেই সিপিএম ও বিজেপি-তে একযোগে নিশানা করেন অভিষেক। বাম জমানার কুখ্যাত নেতাদের নাম ধরে আক্রমণ করেন তৃণমূলের সেনাপতি। তাঁর কথায়, “যারা আমাদেরকে পরিবর্তন চাই বলে আমাদের সরকারকে ব্যঙ্গ করছে, ৩৪ বছর মানুষকে অত্যাচার করেছে, আজ তারা বিজেপির নেতা! বোতল নতুন, মদ পুরনো। জার্সি পাল্টেছে। আগে সিপিএমের হার্মাদ ছিল, আজ বিজেপির জল্লাদ।“ অভিষেক বলেন, “মেদিনীপুরে যদি কোনও বুথে, কোনও বিধানসভায় বিজেপির কোনও নেতা লিড পায়, তা হলে এই সিপিএমের হার্মাদগুলিকে অক্সিজেন দেওয়া হবে। এটা মাথায় রাখতে হবে।“গেরুয়া শিবিরকে কটক্ষ করে অভিষেক বলেন,“বিজেপির মডেল পশ্চিম মেদিনীপুরে কী? নীচে সিপিএমের হার্মাদ আর উপরে বিজেপির গদ্দার, যারা এক সময় সিপিএম করে বাংলার হাজার হাজার মানুষকে ভীত সন্ত্রস্ত করে। এই মেদিনীপুরের মাটিতে গত ২৫ বছরে কংগ্রেস, পরে তৃণমূলের কর্মীদের অত্যাচার করেছে। পুকুরে বিষ, ঘরবন্ধ, ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া। আমরা সে সব দেখেছি।“তৃণমূলের সেনাপতির অভিযোগ, “আজ বিজেপিতে কারা রয়েছে? শালবিতে দেবাশিস রায়, যে সুশান্ত ঘোষের অফিস দেখাশোনা করত। সে বিজেপির বুথ সভাপতি। কেশপুরে তন্ময় ঘোষ। সে সিপিএমের ব্লকের সভাপতি। এখন বিজেপির জেলা কমিটির মেম্বার। তন্ময় ঘোষের ভাই সুবীর ঘোষ, যে দাদাকে টপকে যায়। তড়িৎ খাটুয়া বেনাচাপড়া হত্যাকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত এখন বিজেপি নেতা। মহাদেব প্রামাণিক সিপিএমের প্রাক্তন যুব নেতা, বেনাচাপড়া খুনের অন্যতম অভিযুক্ত, এখন বিজেপির কার্যকর্তা। চন্দ্রকোণায় সুকান্ত দলুই, ঘাটালের বিধায়ক নিজেই রয়েছে, শীতল কপাট। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক সন্ত্রাস, হত্যার এফআইআর হয়েছে। মেদিনীপুরের সুকুর আলি, নাম মনে আছে? তার ছেলে হাসরাফ আলি, মেদিনীপুর শহরের নেতা। গড়বেতার তপন ঘোষ, সুশান্তের ডান হাত এখন বিজেপিকে মদত দেয়। মেদিনীপুরে এই হল বিজেপির চেহারা।“

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *