দেবরীনা মণ্ডল সাহা :- শাশুড়ি খুনের ঘটনার জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার হলো ছোট ছেলের বউকে একইসঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে তার সঙ্গী ঘনিষ্ঠ বন্ধুকেও। আসানসোল উত্তর থানার বারাবনি বিধানসভার লালগঞ্জের বাসিন্দা ধৃত বৌমা রিয়া রায়কে শুক্রবার সকালে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার সঙ্গী ঝাড়খণ্ডের ডাল্টনগঞ্জের বাসিন্দা সমীর আলমকে আসানসোলের জিটি রোডের ভগৎ সিং মোড় এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার রাতে পাকড়াও করে আসানসোল উত্তর থানার পুলিশ। মৃতার নাম মৌ রায়। শুক্রবার ধৃতদেরকে আসানসোল আদালতে পেশ করে পুলিশকে দু’জনকেই নিজেদের হেফাজতে চায়। সেই আবেদনের ভিত্তিতে বিচারক তাদের জামিন নাকচ করে ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের নাম রিয়া রায় এবং সমীর আলম। রিয়া আসানসোল উত্তর থানার বারাবনির লালগঞ্জের বাসিন্দা। তাঁর ‘বন্ধু’ সমীর ঝাড়খণ্ডের ডালটনগঞ্জের বাসিন্দা। তবে সমীরকে আসানসোলের জিটি রোডের ভগৎ সিং মোড় এলাকা থেকে পাকড়াও করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গ্রেফতার করা হয়েছে রিয়াকে। ঘটনার সূত্রপাত গত ১৬ জানুয়ারি। ওই রাতে মৌ রায় নামে এক মহিলাকে বাড়ি থেকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যেরা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। মহিলার দেহ আবার বাড়ি নিয়ে যায় পরিবার। হঠাৎ মৃতার পুত্র খেয়াল করেন, মায়ের গলায় ক্ষতচিহ্ন। গলায় একটি হার পরতেন তাঁর মা। সেটিও ছিল না। এর পর বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পরের দিন আসানসোল জেলা হাসপাতালেই মহিলার দেহের ময়নাতদন্ত হয়।ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট থেকে পুলিশ জানতে পারে, গলায় দড়ি বা অন্য কিছু জড়িয়ে শ্বাসরোধ করে মারা হয়েছিল মহিলাকে। বৃহস্পতিবার রাতে সমীরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি খুনের কথা স্বীকার করে নেন বলে পুলিশের দাবি। পাশাপাশিই রিয়ার নামও তিনি-ই জানান। তার ভিত্তিতে শুক্রবার মৃতার বৌমাকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দু’জনকে আসানসোল আদালতে হাজির করনো হলে তাঁদের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal