প্রসেনজিৎ ধর, কলকাতা :- সাইবার অপরাধীরা মূহূর্তের মধ্যে গায়েব করে দিতে পারে গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা |আর ক্রাইম রুখতে কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগকে যে আরও শক্তিশালী করতে হবে, তা বুঝেছে লালবাজার| সেই কারণে এবার কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ব্রাঞ্চের অধীনে সাতটি ইউনিট বা সেকশন চালু হতে চলেছে।লালবাজার সূত্রের খবর, এই শাখাগুলির পরিকাঠামো তৈরি হলেও অনুমোদনের অভাবে কাজ শুরু হয়নি। এবার এই শাখাগুলি চালুর সবুজ সংকেত দিল নবান্ন। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশ নতুন হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে। এবার নবান্নের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর চালু হতে চলেছে এই শাখাগুলি। পুলিশ জানিয়েছে, এই সাতটি শাখার মধ্যে লালবাজারের সাইবার থানাকেও রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও রয়েছে অর্গানাইজড সাইবার ক্রাইম, সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড সাইবার সেফটি, সাইবার ফ্রড রিকভারি, সাইবার ফরেনসিক ল্যাবরেটরি, সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন অ্যান্ড সাপোর্ট ও সমাজমাধ্যমে মনিটরিং সেল নামে বাকি ৬টি শাখা। আপাতত অর্গানাইজড সাইবার ক্রাইম সেকশনে চারজন ইন্সপেক্টর রাখা হয়েছে। বাকি শাখাগুলিতে থাকছেন দু’জন করে ইন্সপেক্টর পদের আধিকারিক। তাঁদের অধীনে প্রত্যেক শাখায় থাকছেন কয়েকজন সাব ইন্সপেক্টর ও অন্য পুলিশকর্মীরা।সাইবার ক্রাইমে প্রতারিত গ্রাহকদের সবথেকে বড় প্রশ্ন হলো, কী ভাবে অভিযোগ জানালে দ্রুত টাকা ফেরত পাওয়া যাবে? সেই ধোঁয়াশা কাটাতে সম্প্রতি হেল্পলাইন নম্বর ১৮০০-৩৪৫-০০৬৬ চালু করেছে লালবাজার। ইতিমধ্যেই ৫০০–র বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে। সেই সব অভিযোগ খতিয়ে দেখার পরে দ্রুত আলাদা আলাদা ইউনিট তৈরি করার প্রয়োজনীয় আরও বুঝতে পেরেছেন পুলিশকর্তারা।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal