দেবরীনা মণ্ডল সাহা :- উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে। এইবার প্রথম সেমিস্টারের ভিত্তিতে হচ্ছে পরীক্ষা। আর তার মধ্যেই ঘটল মর্মান্তিক ঘটনা। পরীক্ষার সময় মোবাইলে মন। আর মোবাইলেই মেতে ছিলেন তরুণী। শেষে মায়ের বকুনিতে অভিমান আর তারপরই আত্মঘাতী হলেন সেই পরীক্ষার্থী। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে।মৃত পড়ুয়ার নাম রুকসানা খাতুন। বয়স ১৯ বছর। তিনি মেমারির তাতারপুরের বাসিন্দা। তিনি এ বারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া পরীক্ষার শুক্রবার দ্বিতীয় দিন ছিল। গতকাল স্বাভাবিকভাবেই পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন রুকসনা। তবে মোবাইল ঘাটতে শুরু করেন তিনি। সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলেও মোবাইল দেখা বন্ধ করেননি তরুণী। পরিবার সূত্রে খবর, তা দেখে রুকসানাকে বকেন তাঁর মা। মোবাইল ছেড়ে পড়াশোনা করতে বলেন। পরিবারের বক্তব্য, এরপরই তিনি কিছুটা মনমরা হয়ে পড়েন ছাত্রী। নিজের ঘরে চলে যান তরুণী। মাকে জানান যে তাঁর ভালো লাগছে না, বিশ্রাম নিতে চান। তাঁকে বিরক্ত করেনি পরিবার।এরপর সকালেও দীর্ঘক্ষণ সাড়া শব্দ পায়নি পরিবারের সদস্যরা। ঘরে গিয়ে রুকসানাকে সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন অভিভাবকরা। তাঁকে তড়িঘড়ি মেমারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনার খবর পেয়ে মেমারি থানার পুলিশ দেহ উদ্ধার করে। শনিবার দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে ।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal