প্রসেনজিৎ ধর :- প্রস্তুতি না নিয়ে এসআইআর প্রক্রিয়া হওয়ায় তাতে বিস্তর সমস্যা হচ্ছে, অযথা হয়রান হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এই অভিযোগ তুলে রবিবারই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় | শুধু তাই নয়, কমিশনের কার্যপদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। এবার সরাসরি আইনের পথে শাসকদল তৃণমূল? গঙ্গাসাগর থেকে এমনটাই বার্তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি বলেন, ”আমরা আইনের সাহায্য নিচ্ছি। আগামীকাল কোর্ট খুলবে। আইনের পথে যাব। প্রয়োজন পড়লে আমিও সুপ্রিম কোর্টে মানুষের হয়ে প্লিড করব।” সোমবার গঙ্গাসাগর সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পরে এসআইআরের শুনানি প্রক্রিয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ শানান। তিনি বলেন, ‘একজন খুনি যদি ল’ইয়ার নাও পায়, তবুও সে নিজেকে ডিফেন্ড করতে পারে। আর ওখানে এআইকে দিয়ে কাটিয়ে দিয়েছে। এআই দেখে ঠিক করছে, পদবিটা কার পালটে গিয়েছে, কার বিয়ে হয়েছে, কোন মেয়েটা শ্বশুরবাড়ি গিয়েছে। এআই দিয়ে বাদ দিয়েছে।’মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হিয়ারিংয়ের নামে মানুষের হেনস্তা করা হচ্ছে। ৫৪ লক্ষ টাকা নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের অধিকার ছিল ৭ নম্বর, ৮ নম্বর ফর্ম ফিলআপ করার।” কিন্তু আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে ব্যবহার করে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, হোয়াটস অ্যাপে নির্বাচন কমিশন চলছে বলেও তোপ দাগেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”হোয়াটস অ্যাপে কমিশন চলছে। হোয়াটস অ্যাপে কিনেছে কিনা কে জানে? মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। আর তা যদি হয় তাহলে আপনারও ভ্যানিস হয়ে যাবেন।” এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আইনের দ্বারস্থ হচ্ছেন বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, ”আমরাও আইনের সাহায্য নিচ্ছি। আগামিকাল কোর্ট খুলবে। এত মানুষের মৃত্যু, যেভাবে মানুষকে হেনস্তা করা হচ্ছে তার বিরুদ্ধে লড়াই হবে। প্রয়োজন পড়লে আমি নিজেও অনুমতি চাইব। মানুষের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে প্লিড করব।” তবে আইনজীবী হিসেবে নয়, সাধারণ নাগরিক হিসেবে কথা বলতেই পারি।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal