প্রসেনজিৎ ধর :- কপ্টার বিভ্রাট পেরিয়ে অবশেষে মঞ্চে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বীরভূমের রামপুরহাটের সভায় এদিন বক্তব্যের শুরুতেই অভিষেক জানালেন, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সহায়তায় তাঁদের সরকারের একটি কপ্টার ভাড়া করা হয়৷ সেভাবেই সভাস্থলে পৌঁছতে পেরেছেন তিনি৷ ডিজিসিএ অনুমতি না দেওয়াতেই নির্ধারিত সময়ে উড়তে পারেনি তাঁর হেলিকপ্টার। ফলে কিছু দেরিতেই শুরু হয় অভিষেকের সভা৷ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান। তিনি যে হেলিকপ্টারে সফর করেন তা ডবল ইঞ্জিন হয়। এক্ষেত্রে ওড়ার ৭২ ঘণ্টা আগে অনুমতি নিতে হয়। পাইলটের আসনে কে থাকবেন, তাঁর অভিজ্ঞতা কতদিনের, কপ্টারে আর কে কে থাকবে-এহেন একাধিক তথ্য জানিয়ে অনুমতির জন্য আবেদন করতে হয়। সময় জানিয়ে স্লট বুকিং করতে হয়। এরপর আবহাওয়া-সহ যাবতীয় বিষয় খতিয়ে দেখে অসামরিক বিমান পরিবহন দফতর DGCA। তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিকিউরিটি এজেন্সি জানায়, কোন পথে এগোতে হবে কপ্টারকে। এক্ষেত্রেও নিয়ম মেনেই আবেদন জানানো হয় সাংসদের তরফে। জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় ডিজিসিএ’র সবুজ সংকেত দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোনও কারণ না দেখিয়েই জানানো হয় উড়ানের অনুমতি দেওয়া যাবে না।ফ্লাইং ক্লাবেই এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আটকে থাকতে হয় তাঁকে। সূত্রের খবর, সড়কপথেই বীরভূমে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। পরে ঝাড়খণ্ড সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন একদিনের জন্য তাঁর কপ্টার অভিষেককে দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। দুপুর ২টো ১০-এ ও়ড়ে সেই কপ্টার। তৃণমূলের দাবি, বিজেপিই এভাবে ডিজিসিএ-কে ব্যবহার করে অভিষেকের প্রচারসূচিতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে এই অভিযোগ উড়িয়ে ডিজিসিএ জানিয়েছে, কুয়াশার কারণেই হেলিকপ্টার উড়তে পারছে না। এদিন সকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গঙ্গাসাগর থেকে ফেরার হেলিকপ্টারেও সমস্যা হয়। পরে ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হয়।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal