প্রসেনজিৎ ধর, কলকাতা :- তৃণমূলের বুথস্তরের কর্মীরা হলেন আর্মি, তাঁরা হলেন নেভি, আর সোশ্যাল মিডিয়ার কর্মীরা হলেন এয়ারফোর্স এমনই দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে ‘আমি বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধার’ কনক্লেভে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ বলেন, ‘একদিকে নেভি, একদিকে আর্মি, একদিকে এয়ারফোর্স।সেনাবাহিনীতে যেমন স্থলসেনা, বায়ুসেনা এবং নৌসেনা, এই তিন বিভাগ রয়েছে, তৃণমূলেও এই রকম তিন বাহিনী রয়েছে। আসন্ন বিধানসভা ভোটে তাঁরা লড়াইয়েরা ময়দানে থাকবেন বলে জানিয়ে দিলেন তৃণমূলের ‘সেনাপতি’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়| এই তিন বাহিনীর ভূমিকা কী হবে, তাও স্পষ্ট করে দিলেন শাসকদলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
সোমবার মিলন মেলায় তৃণমূলের ‘ডিজিটাল যোদ্ধা’দের সম্মেলনে যোগ দেন অভিষেক। সেখানে তিনি বলেন, “আমরা সুপ্রিম কোর্টে মামলা লড়ি, সংসদে মানুষের কথা তুলি। মানুষের পাশে থাকি। আমরা নেভি। যাঁরা মিছিলে হাঁটেন, পতাকা বহন করেন, ব্যানার-ফেস্টুন লাগান, তাঁরা আর্মি। আর আপনারা ডিজিটাল যোদ্ধারা যাঁরা সমাজমাধ্যমে লড়াই করেন, তাঁরা এয়ারফোর্স।”সেই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তৃণমূলের তিন বাহিনী যদি সমন্বয় বজায় রেখে এগিয়ে চলে এবং লড়াই করে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিরোধীরা ধূলিসাৎ হয়ে যাবে।সোমবারের কনক্লেভ থেকে ‘ডিজিটাল যোদ্ধা’-দের উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করেন অভিষেক। তাঁরা যাতে নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন, বিরোধীদের ‘মিথ্যাচার’ খণ্ডন করে দেন, তৃণমূল সরকারের ভালো কাজের প্রচার করেন, তার উপরে জোর দেন। কোনওরকম রাখঢাক না করে অভিষেক জানান, আসন্ন ১১০ দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখন ‘ডিজিটাল যোদ্ধা’-দের জীবনে ছুটি, রবিবার, শনিবার বলে কিছু থাকবে না। এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর দিতে হবে। যা ছুটি মিলবে, সেটা আগামী মে’তে তৃণমূল ফের সরকার গঠন করার পরে।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal