নিজশ্ব সংবাদদাতা,কলকাতা :-শুভেন্দু অধিকারীর নবান্ন ধর্নায় না আদালতের। হাইকোর্ট বলছে, চাইলে মন্দির তলায় ধরনা চলতে পারে। নির্দেশ বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের। রাজ্যের যুক্তি ছিল নবান্ন হাইসিকিউরিটি জোন তাই সেখানে সম্ভব নয়। শেষ পর্যন্ত রাজ্যের যুক্তিতেই সায় দেন বিচারপতি। শেষ পর্যন্ত মন্দিরতলা বাসস্ট্যান্ডের কাছে (যা নবান্নর পিছনের দিকে) ধরনা আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত ধরনা চলবে। তবে সিঙ্গল বেঞ্চের এই রায় পছন্দ না হওয়ায় আবার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হচ্ছে বিজেপি।গত ৮ জানুয়ারি আইপ্যাকের অফিস ও কর্ণধারের বাড়িতে ইডির তল্লাশির সময় সেখানে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। দলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের দপ্তরে দলের যাবতীয় ভোটের রণকৌশল, জরুরি নথি রয়েছে। এই যুক্তিতে মুখ্যমন্ত্রী বেশ কিছু ফাইল নিয়ে চলে যান সেখান থেকে। মুখ্যমন্ত্রীর এই ভূমিকার বিরোধিতা করে নবান্নের সামনে ধরনায় বসতে চেয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর জন্য হাই কোর্টের অনুমতি চান। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে মামলাটি ওঠে।
বুধবারের শুনানিতে বিচারপতির সাফ মন্তব্য ছিল, “নবান্ন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র। সেখানে ধরনা দিলে আইনশৃঙ্খলা এবং যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হতে পারে। ফলে ওই জায়গায় ধরনা কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। তবে আদালত একেবারে ধরনার অনুমতি নাকচ করে দেয়নি। বিকল্প হিসেবে বিচারপতি প্রস্তাব দেন, নবান্ন বাসস্ট্যান্ড অথবা চাইলে মন্দিরতলায় সমাবেশ বা ধরনা করা যেতে পারে।”তবে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এসব শর্তকে চ্যালেঞ্জ করে বিজেপি ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হতে চলেছে বলে খবর |বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলছেন, “বিজেপি বিধায়কেরা নবান্নের সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচি করার অনুমতি চেয়েছিলেন। এই ন্যায্য গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করব। যত দ্রুত সম্ভব ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হব।” যদিও মামলার তোড়জোড় শুরু হতেই খোঁচা দিয়েছিল তৃণমূল। তৃণমূলের আইটি সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেছিলেন, “যাঁরা ভিতরে কোনওদিন বসতে পারবে না। তারা যদি বাইরে বসতে চায়, কী বলি! ওরা সমীক্ষায় বুঝে গিয়ে, বিজেপি এবার ৫০-৬০এর গণ্ডি পেরোতে পারবে না। তাই বাইরে বসে দুধের স্বাদ ঘোলা মেটাতে চাইছেন।”
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal