Breaking News

এসআইআর-এর জেরে উচ্চ মাধ্যমিকে পরিদর্শকের ‘ঘাটতি’,উচ্চ মাধ্যমিক সামাল দিতে প্রাথমিক থেকে শিক্ষক আনার ভাবনা কাউন্সিলের!

দেবরীনা মণ্ডল সাহা, কলকাতা :-১২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিকের চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষা। পরীক্ষা শুরুর আগেই সামনে এসেছে একটি বড় প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ। শিক্ষক ঘাটতির কারণে এবছর পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনে সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে জানাচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। সেই ঘাটতি মেটাতে প্রাথমিক স্কুল থেকে প্রায় ১২ হাজার (সম্ভাব্য সংখ্যা) অতিরিক্ত শিক্ষককে পরীক্ষার কাজে নিয়োগ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য এ প্রসঙ্গে বলেন, “প্রয়োজন হলে মাধ্যমিক এমনকী, প্রাথমিক স্তরে থেকে শিক্ষকদের দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশিকা প্রতি বছরই থাকে। এ বছর এসআইআর আবহে অনেক শিক্ষকই ব্যস্ত। আমাদের কাছে সঠিক তথ্যও নেই। তাই শিক্ষক পেতে কোনও সমস্যা হলে তা বিকাশ ভবনের তরফে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে। ১০ ফেব্রুয়ারি জেলা স্কুল পরিদর্শক এবং জয়েন্ট কনভেনরদের সঙ্গে এ সংক্রান্ত বৈঠক রয়েছে। সেখানেই ঠিক হবে কত জন সরকারি কর্মীকে সেন্টার ইনচার্জের কাজে নিযুক্ত করা যেতে পারে।”আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিকের চূড়ান্ত বা চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষা| একই সঙ্গে হবে তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি ও পুরনো পদ্ধতির উচ্চমাধ্যমিক। চলবে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তিনটি পরীক্ষার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭ লাখ ১০ হাজার। এবার ছাত্রদের থেকে ছাত্রীর সংখ্যা ৭৯,৩৪৭ বেশি। চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষা হবে সকাল দশটা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত। তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি হবে দুপুর ১টা থেকে দুপুর ২টো ১৫ মিনিট পর্যন্ত। পুরনো পদ্ধতির পরীক্ষা হবে সকাল দশটা থেকে দুপুর ১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত।উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে জানানো হয়েছে, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ পরীক্ষা পরিচালনা করতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ইনভিজিলেটর ও দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক নিশ্চিত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। এ বছর বেশিরভাগ শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী এসআইআর-এর কাজের সঙ্গে যুক্ত। আর এই শিক্ষক ঘাটতির কারণেই যাবতীয় বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতেই প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকদের পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কাউন্সিল। ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিন স্তরে পরীক্ষা হবে। Semester IV, Semester III Supplementary এবং পুরনো পদ্ধতির উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। তিনটি পরীক্ষায় মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৭ লক্ষ ১০ হাজার। এর মধ্যে ছাত্র ৪৪.৪০ এবং ছাত্রী ৫৫.৬০ শতাংশ। ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজারের কাছাকাছি। রাজ্যজুড়ে মোট ৮২২টি মূল পরীক্ষা কেন্দ্র এবং ২১০৩টি ভেন্যুতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। ১০৪টি ভেন্যুকে সংবেদনশীল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিটি পরীক্ষা কক্ষে ২০ জন পরীক্ষার্থীর বিপরীতে ন্যূনতম দুজন করে ইনভিজিলেটর বা পরিদর্শক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *