প্রসেনজিৎ ধর, কলকাতা:- কলকাতায় সিইও অফিসের বাইরে ব্যাপক জমায়েত তৃণমূল কংগ্রেসের। চলছে বিক্ষোভ। মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী। হাজির রাজ্য পুলিশের আধিকারিকরা। চলছে ব্যারিকেড টপকানোর চেষ্টা। উপস্থিত শশী পাঁজা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, নয়না বন্দোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহা, শ্রেয়া পান্ডে সহ একাধিক কাউন্সিলর।ফর্ম ৬ ফিলআপ করে বিহার, উত্তরপ্রদেশের ভোটারদের যুক্ত করা হচ্ছে। বাংলায় চলা নির্বাচন প্রক্রিয়ার মধ্যেই ভোটার তালিকায় কারচুপি নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, বস্তা ভর্তি ফর্ম ৬ নিয়ে কমিশনে ঢুকেছিলেন বিজেপি নেতারা। এই বিষয়ে কমিশনকে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করারও চ্যালেঞ্জ ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে নেতাকর্মীদের কমিশনের দপ্তরে কড়া নজর রাখারও নির্দেশ দেন তিনি। বিশেষ করে যতদিন ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার কাজ চলবে এই নজরদারি রাখার বার্তা তাঁর|
কমিশনের অফিসে যোগ দিয়ে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের বড় অভিযোগ। তার আগে এদিন কমিশনকে তোপ দেগে তিনি বলেন, ‘আমরা বর্তমানে যা প্রত্যক্ষ করছি, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বাংলার মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করার জন্য একটি সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত প্রচেষ্টার ক্রমবর্ধমান ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে– যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিজেপি, আর নির্বাচন কমিশন যেন দেখেও না দেখার ভান করছে। মানুষের অধিকার রয়েছে এটা জানার যে, তাঁদের ভোটের সঙ্গে আসলে কী ঘটছে। এটি কোনও তুচ্ছ বিষয় নয়– বরং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মূল ভিত্তিই এর সঙ্গে জড়িত।’তাঁর দাবি, ‘আমরা বিভিন্ন জেলা থেকে নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন পাচ্ছি যে, বিপুল সংখ্যক ‘ফর্ম ৬’ (নতুন ভোটারদের আবেদনপত্র) অত্যন্ত সন্দেহজনকভাবে জমা দেওয়া হচ্ছে। এগুলি নিছকই সাধারণ বা রুটিনমাফিক সংযোজন নয়। গুরুতর উদ্বেগের বিষয় হল, এই তালিকাভুক্তির অনেকের সঙ্গেই এমন সব ব্যক্তির যোগসূত্র থাকতে পারে, যাদের বাংলার সঙ্গে বাস্তবে কোনও সম্পর্কই নেই—এমন মানুষ যারা এখানে বসবাস করেন না, এখানে কাজ করেন না এবং এই রাজ্যের কোনও স্বার্থের সঙ্গেই যাদের কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই।’
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal