দেবরীনা মণ্ডল সাহা, কলকাতা :-প্রার্থী অসন্তোষ ঘিরে তুলকালাম। বিধান ভবনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দপ্তরে তুমুল বিক্ষোভ। বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে বচসা-হাতাহাতি। পুলিশের সামনেই চলে ধস্তাধস্তি। বহিরাগত প্রার্থী বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ। রডের বাড়িতে মাথা ফাটল এক কংগ্রেস কর্মীর। রাস্তায় বসে চলে স্লোগান। বালিগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী তথা প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি সোমেন মিত্রের পুত্র রোহন মিত্রকে প্রার্থী করা নিয়ে এদিন ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে । বিধান ভবনের গেট আটকে দাঁড়িয়ে পুলিশ ৷ বাইরে বিক্ষুব্ধরা প্রার্থী বদলের দাবি তুলছেন । যদিও এ বিষয়ে খোদ প্রার্থী রোহন মিত্র বলেন, “এরকম বিক্ষোভ সমস্ত রাজনৈতিক দলেই ঘটে । যাঁরা এই ঘটনা ঘটিয়েছেন বা ঘটাচ্ছেন তাঁরা একটা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে করছেন । যে কারণেই ধর্মীয় ইস্যু তুলে হিংসার বার্তা দিচ্ছেন তাঁরা । তাঁরা হয়তো ভুলে গিয়েছেন আমি হিন্দু ধর্মচারণ পালন করলেও আমার স্ত্রী মুসলিম ধর্মালম্বী । কংগ্রেস এই ধর্মের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয় । স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা ভুল পথ অবলম্বন করছেন । কংগ্রেস এই বিষয়টাকে গ্রহণ করে না । বিক্ষোভকারীরা কংগ্রেসের আদর্শ রীতিনীতির বাইরে ।”শুধু তাই নয়, আজকের ঘটনায় বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, অনৈতিকভাবে রোহন মিত্রকে প্রার্থী করেছেন শুভঙ্কর সরকার-সহ কংগ্রেসের পদাধিকারীরা । প্রদেশ কংগ্রেসের পার্ক সার্কাস এলাকার নেতা জাহিদ হোসেন-সহ বড় অংশের বিক্ষোভকারীরা এও অভিযোগ করেছেন, অর্থের বিনিময়ে মদ্যপানের আসরে প্রার্থী ঠিক করা হয়েছে । যদিও সেই অভিযোগও মানতে নারাজ রোহন মিত্র ।তিনি বলেন, “প্রার্থী কারা ঠিক করেছেন তা সকলেই জানেন । রাহুল গান্ধি, মল্লিকার্জুন খাড়গে, অধীররঞ্জন চৌধুরী-সহ কংগ্রেসের একাধিক বলিষ্ঠ নেতা এক টেবিলে বসে প্রার্থী ঠিক করেছেন । সেই ছবি সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে সংবাদ মাধ্যমের সম্প্রচারিত হয়েছে । সেখানে তো একবারও মদের গ্লাস বা অন্য কিছু দেখা যায়নি । ফলে যাঁরা বলছেন তাঁরা মিথ্যা, ভুল তথ্য পরিবেশন করছেন ।”
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal