নিজস্ব সংবাদদাতা :- দক্ষিণ ২৪ পরগনায় শাসকদলের দুর্গে ভাঙন। ভোটের মুখেই শিবির বদল তৃণমূল কর্মীদের। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে ক্যানিং-গোসাবা অঞ্চলের কয়েকশো তৃণমূল নেতা ও কর্মী যোগ দেন গেরুয়া শিবিরে। সেই সভা থেকেই যোগদানকারী তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ‘স্বচ্ছ’ বলে উল্লেখ করেন শুভেন্দু। মঙ্গলবার বিজেপির সল্টলেকের অফিসে ক্যানিংয়ের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি, অঞ্চল সভাপতি, পঞ্চায়েত প্রধান থেকে স্থানীয় নেতারা দলবদল করলেন। কিন্তু কেন ‘স্বচ্ছ্ব’ তৃণমূল কর্মী বলে উল্লেখ করলেন শুভেন্দু? রাজনৈতিক মহলের মতামত, ভোটের আগে তৃণমূলের কর্মীদের দলে নিলে বিজেপির নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে কোন্দল দেখা দিতে পারে। ভোটের মুখে দলের আভ্যন্তরীণ সমস্যা বাড়তে পারে? সেই আশঙ্কাতেই ‘স্বচ্ছ’ তৃণমূল কর্মী বলে উল্লেখ করলেন বিরোধী দলনেতা |এ দিন দলবদল নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্বকে তুলোধোনা করেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, দলের পুরোনো কর্মীরা শীর্ষ নেতৃত্বের অনাচার মানতে পারছেন না। যাঁরা রক্ত-ঘাম ঝরিয়ে দল গড়েছেন, তাঁদেরই ‘নির্বাসনে’ পাঠানো হয়েছে। দলের একান্ত অনুগত কর্মীদের ব্যাকসিটে পাঠিয়ে জায়গা দেওয়া হচ্ছে বাবুল সুপ্রিয়, কোয়েল মল্লিক বা মেনকা গুরুস্বামীদের মতো ‘আনকোরা ও আনাড়ি’দের। এর ফল ভোগ করবে জোড়াফুল বলেও ভবিষ্যদ্বাণী করেন শুভেন্দু।বিরোধী দলনেতার বিস্ফোরক অভিযোগ,‘তৃণমূলের টিকিট পেতে কারও কাছে ৬৫ লক্ষ, আবার কারও কাছে ১ থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত চাওয়া হয়েছে।’ একইসঙ্গে এই দলবদলে গোসাবা-ক্যানিংয়ে দারুণ রেজ়াল্ট করবে পদ্মশিবির বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, ‘এই যোগদান আসলে তৃণমূলের পতনের শুরু। ২০২৬-এর নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বিজেপির জয়রথ কেউ আটকাতে পারবে না।’
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal