Breaking News

‘শাসকই ঘাতক হয়ে উঠল’, অভিষেকের উপর হামলায় তীব্র প্রতিক্রিয়া মমতার! বিজেপি জড়িত নয় দাবি করে হিংসা বর্জনের বার্তা শমীকের

নিজস্ব সংবাদদাতা,কলকাতা :- নিহত দলীয় কর্মীর বাড়িকে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, রাস্তায় তাঁকে মারধরও করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে সোনারপুরের সেই ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখলেন, ‘শাসকই ঘাতক হয়ে উঠল। লজ্জা হওয়া উচিত বিজেপির।’ বিজেপির অবশ্য দাবি, সোনারপুরের ঘটনার সঙ্গে তাদের যোগ নেই।গোটা ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছে জাতীয় স্তরে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র শরিকেরাও। এক্স হ্যান্ডলে বিজেপির নিন্দায় সরব হয়েছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে।অভিষেকের উপর হামলার অভিযোগ নিয়ে এক্স পোস্ট করেন সমাজবাদী পার্টির (এসপি) প্রধান অখিলেশ যাদব। তিনি লেখেন, ‘‘অভিষেকের উপর প্রাণঘাতী হামলা চালিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার প্রমাণ করল যে তারা বিদ্বেষপূর্ণ, নেতিবাচক, হিংসাত্মক রাজনীতি করা ছাড়া আর কিছুই করতে পারে না।’’ তার পরেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অখিলেশ। তিনি লেখেন, ‘‘এমন একটা সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে পুলিশের অনুপস্থিতি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের দিকে ইঙ্গিত করে।’’রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছেন খড়্গেও। এক্স পোস্টে তিনি লেখেন, ‘‘অভিষেকের উপর মর্মান্তিক হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।’’ তার পরেই পুলিশের বিরুদ্ধে সুর চড়ান তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘বিরোধী নেতার জন্য ইচ্ছাকৃত ভাবে পর্যাপ্ত পুলিশি সুরক্ষার অভাব বিজেপির প্রতিহিংসা ও নিপীড়নের রাজনীতির কথাই বলে দেয়।’’ খড়্গের আর্জি, ‘‘কেন্দ্রীয় এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে অবশ্যই সব বিরোধী নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এ ধরনের হামলা আটকানোর জন্য পদক্ষেপ করতে হবে সরকারকে।’’ বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতার মতে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য কখনওই কোনও ধরনের সহিংস ঘটনার রূপ দিতে পারে না।অভিষেকের উপর হামলার ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছে বিজেপি-ও। শমীক সকলকে হিংসা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে তিনি এ-ও বলেন, “পুলিশ কেন নেই, সেটা তো আমি বলতে পারি না। আমি তো দলের প্রতিনিধি। সেটা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার বলতে পারবে।” অতীতে শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন উত্তরবঙ্গে তাঁকে গাড়িতে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। শমীক আরও বলেন, “তৃণমূল আমাদের কর্মীদের সঙ্গে যে অত্যাচার করেছে, আমরা সংযত ছিলাম বলেই আজ তৃণমূল অক্ষত আছে।” তৃণমূল সরকারের জমানার বেশ কিছু ‘উদাহরণ’ও তুলে ধরেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *