Breaking News

ডামাডোলের মধ্যেই সক্রিয় ‘পুরনো তৃণমূল’! কলকাতা পুরসভা ঘিরে অনিশ্চয়তা ও ভাঙনের জল্পনার মাঝেই ১৯ জুন পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনের ডাক মালা রায়ের

দেবরীনা মণ্ডল সাহা, কলকাতা :-বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের বড় ধাক্কার পর দলীয় সংগঠনের পাশাপাশি কলকাতা পুরসভাকেও ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তার আবহ। একের পর এক রাজনৈতিক টানাপড়েন, কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং নেতৃত্বের পরিবর্তন নিয়ে জল্পনার মধ্যেই পুর প্রশাসন সচল রাখার উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করলেন কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে আগামী ১৯ জুন পুরসভার অধিবেশন ডাকার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি।গত ২২ মে নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে কলকাতা পুরসভায়। পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায় বৈঠক ডেকেছিলেন। তৃণমূলের কাউন্সিলররা পুরসভায় গেলেও অধিবেশন কক্ষের দরজা তালাবন্ধ থাকে। ভিতরে ঢুকতেই পারেননি কাউন্সিলররা। তৃণমূল সাংসদ তথা পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায় কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন। এরপর বাধ্য হয়েই তৃণমূল কাউন্সিলরদের সঙ্গে নিয়ে অধিবেশন কক্ষের বাইরে সভা বসে। মেয়র ফিরহাদ হাকিম ক্ষোভপ্রকাশ করে বলেন, “পুরসভার কালো দিন। রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করছি সংঘাত নয়, সাধারণ বাসিন্দাদের জন্য একসঙ্গে কাজ করার।” উপস্থিত থাকার জন্য তৃণমূল কাউন্সিলরদের ধন্যবাদ জানান ফিরহাদ। সেই ঘটনার পরই কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার শুনানিতেই বড় নির্দেশ দেয় হাই কোর্ট। বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায় পুর আইন মেনে মাসিক বৈঠক ডাকতে পারবেন।মালা রায়ের কথায়, কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে পুরসভার সভা ডাকার ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। সেই নির্দেশ মেনেই নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, নির্ধারিত দিনেই পুর অধিবেশন হবে এবং আইন অনুযায়ী সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।পুর প্রশাসনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মালা রায় স্পষ্ট করে দেন, তিনি ১৯৮০ সালের পুর আইন মেনেই কাজ করবেন। আইনের বাইরে গিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে মেয়র পদ নিয়ে চলা জল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখনও পর্যন্ত তাঁর কাছে কোনও পদত্যাগপত্র জমা পড়েনি। ভবিষ্যতে এমন কোনও নথি এলে সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *