প্রসেনজিৎ ধর, কলকাতা :-এডিজি আইন শৃঙ্খলা বিনীত গোয়েলকে কড়া ধমক মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের। সূত্রের খবর, কমিশনের বার্তা, প্রত্যেকের কাজের ‘ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট’ আছে। জেলাশাসক হোন বা পুলিশ কমিশনার, গাফিলতি দেখলে কাউকে রেয়াত করা হবে না। উল্লেখ্য, ওই বৈঠকের পরেই শুরু হয়েছে জেলাশাসকদের নিয়ে ফুল বেঞ্চের বৈঠক।জানা গিয়েছে, রাজ্যে এসআইআরের কাজে কয়েকজন আধিকারিকের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট কমিশন। কমিশনের একটি সূত্রের দাবি, রাজ্য এবং কেন্দ্রের ২৪টি সংস্থার আধিকারিকদের বৈঠকে জ্ঞানেশের হুঁশিয়ারি, ‘‘পদক্ষেপ করুন। না হলে শুধু চা নিয়েই বসে থাকতে হবে।’’ কমিশনের ওই সূত্রের দাবি, বৈঠকে রাজ্যের আধিকারিকদের উদ্দেশে বার্তা দেওয়া হয়েছে, যদি কেউ ভাবেন, দেড় মাসের জন্য কমিশন সক্রিয়, তার পরে আর নয়, তা হলে সেটা একেবারে ভুল ভাবনা। অন্য দিকে, নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলা আধিকারিক বলেন, “কমিশন বলেছে, ইচ্ছাকৃত গরমিল বা গাফিলতি প্রমাণ হলে, এমন জায়গায় দাঁড় করিয়ে দেওয়া হবে, যেখান থেকে ফেরার সুযোগ থাকবে না।”সূত্রের খবর, বিনীত গোয়েল তাঁর প্রেজেন্টেশন দিচ্ছিলেন, কেন এ রাজ্যে অন্যান্য রাজ্যের মতো নার্কোটিক্স অ্যাডভাইজারি বোর্ড নেই। তখন বিনীতকে মাঝপথেই থামিয়ে দেওয়া হয়। তখন জ্ঞানেশ কুমার বিনীত গোয়েলের উদ্দেশে বলেন, “আপনাকে খুব ভাল করে চিনি, কেন নেই, সব জানি।”বিশেষ করে এক্সসাইজ ডিপার্টমেন্টের ওপর ভোটের আগে বিশেষ নজর দেয় কমিশন। তাদের সেক্ষেত্রে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমার, “ভুল দেখলে প্রাতঃরাশের দাওয়াই দেওয়া হবে’। এমন জায়গায় দাঁড় করাব ফিরতে পারবেন না।” এদিন জ্ঞানেশ কুমার-সহ কমিশনের ফুল বেঞ্চের যা ভূমিকা ছিল, তাতে বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করছেন, রীতিমতো পড়াশোনা করে বাংলার প্রত্যেকটি খুটিনাটি বিষয় খতিয়ে দেখে তাঁরা এসেছেন।অন্য দিকে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার উদ্দেশে জ্ঞানেশ কুমারের নির্দেশ, নির্বাচনের সময়ে যেন কোনওভাবেই কালো টাকার কারবার না হয়, জেলায় জেলায় সেই বিষয়টিতে কড়া ভাবে নজর রাখতে হবে আরবিআইকে |
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal