নিজস্ব সংবাদদাতা:- এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আগাম পিটিশনে বিরক্তি প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত রাজ্যের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীকে বললেন, আগাম পিটিশন ভুল বার্তা দেবে। একইসঙ্গে আইনজীবী তথা তৃণমূলের সদ্য জয়ী রাজ্যসভার সাংসদ গুরুস্বামীকে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আগাম পিটিশনের মাধ্যমে বার্তা যাচ্ছে, আপনারা সিস্টেমে ভরসা রাখতে পারছেন না।” পিটিশন ফিরিয়ে নেওয়ার জন্যও গুরুস্বামীকে বার্তা দেন প্রধান বিচারপতি। একইসঙ্গে তিনি বলেন, কোনও বৈধ ভোটার বাদ যাবে না।মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, যেসব আবেদন ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে বাতিল হয়েছে, সেগুলির আপিল শুনতে একটি বিশেষ অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে। সেই ট্রাইব্যুনালের নেতৃত্বে থাকবেন একজন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এবং তাঁর সঙ্গে থাকবেন প্রাক্তন বিচারপতিরা।শীর্ষ আদালত এদিন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এই ট্রাইব্যুনালের যাবতীয় ব্যয় বহন করবে নির্বাচন কমিশন (ECI)। তবে এদিন শুনানির সময়ে প্রধান বিচারপতি যা বলেছেন তা যারপরনাই তাৎপর্যপূর্ণ। প্রধান বিচারপতি বলেন, “এখন এমন একটা পর্যায়ে এসে গেছি যেখানে দুই পক্ষের সদিচ্ছা নিয়েই সন্দেহ তৈরি হচ্ছে”। তবে সুপ্রিম কোর্ট এও জানায়, এর নিষ্পত্তি দেখেই ছাড়বে শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট আরও জানায়, জুডিশিয়াল অফিসাররা ইতিমধ্যেই বিপুল চাপের মধ্যে কাজ করছেন। শীর্ষ আদালতকে জানানো হয়েছে যে ইতিমধ্যে প্রায় ৩ লক্ষ ৪ হাজার আবেদন বাতিল হয়েছে, যার ফলে আপিলের সংখ্যা বিপুল হতে পারে।এদিন জুডিশিয়াল অফিসারদের কাজের প্রশংসাও করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতে জানানো হয়, তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করা হচ্ছে এবং কাজের চাপ সামলাতে অনেকের ছুটিও বাতিল করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন,“আমাদের জুডিশিয়াল অফিসারদের কাছ থেকে আর কতটা ত্যাগ আশা করা যায়?” সুপ্রিম কোর্ট এদিনও পরিষ্কার জানিয়ে দেয়, জুডিশিয়াল অফিসারদের দরকারি সব সুযোগ সুবিধা দিতে হবে। এই মর্মে রাজ্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা যেন যথাযথভাবে তা পালন করে।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal