নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা :- মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় ভবানীপুরে তুমুল উত্তেজনা। সেখানে তৃণমূলেরই পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগ। এই ঘটনার পিছনে বিজেপি রয়েছে বলে দাবি শাসকদলের। অপরদিকে, গোটা বিষয়টি তৃণমূলেরই গোষ্ঠী কোন্দল বলছে বিজেপি। এই ঘটনায় বিজেপি কালীঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার দুপুরে আচমকা ৭০ নং ওয়ার্ড এলাকায় তাঁরা তৃণমূলের পোস্টারগুলি ছিঁড়তে দেখেন মহিলারা। পাশের সূরজ দাস, আয়ুশ রাম নামে দু’জনকে তাঁরা চিনতে পারেন। জানান, এই দু’জন পাশের ওয়ার্ডের বাসিন্দা। পোস্টার ছেঁড়ার সময় মহিলারা তাঁদের বাধা দেন। প্রশ্ন তোলেন, কেন এভাবে পোস্টার ছেঁড়া হচ্ছে। অভিযোগ, জবাবে রীতিমতো ধমকের সুরে সূরজ ও আয়ুশ তাঁদের বলেন, ”চুপ করে থাকুন, যা করছি বেশ করেছি।” এনিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু। তাঁর বক্তব্য, “আমরা যথার্থ অনুমতি নিয়েই ব্যানার, পোস্টার লাগিয়েছিলাম। দেখি, কেউ বা কারা এগুলো ছিঁড়ে ফেলেছে। আমরা পুলিশকে খবর দিই। পুলিশ পৌঁছয়। পরে গিয়ে দেখি, ‘বয়কট বিজেপি’ সংক্রান্ত পোস্টারগুলোই মূলত ছিঁড়েছে। তার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে জেতানোর সমর্থনে যে ব্যানারগুলো লাগিয়েছিলাম, তাও কয়েকটা ছিঁড়েছে।”পরে এনিয়ে ভবানীপুর থানায় সূরজ দাস, আয়ুশ রামের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করার পাশাপাশি বিক্ষোভ দেখানো হয়। সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের হয়। তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসুর অভিযোগ, সকালে শুভেন্দু অধিকারী এসেছিলেন ওখানে। অশান্তি উসকে দিয়ে গিয়েছেন। তারই ফল তৃণমূলের পোস্টার ছেঁড়া। পালটা বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের দাবি, ”তৃণমূলের বিধায়করা সেখানে আছেন। মুখ্যমন্ত্রী সেখানকার বিধায়িকা। কার এত সাহস আছে? আমি কয়েকদিন আগে দেওয়াল লিখনে গেছিলাম। সেই সময় আমাকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান শুনতে হয়েছে। সেখানে বিজেপির কেউ পোস্টার ছিঁড়ে দেবে, তা কল্পনাতেও কেউ ভাবতে পারবে না।”
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal