Breaking News

বিজেপিতে প্রাক্তন বিধায়ক অর্ঘ্য রায় প্রধান!গেরুয়া শিবিরে যোগ রাজবংশী সমাজের দুই অন্যতম নেতার

প্রসেনজিৎ ধর :-বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপিতে যোগ দিলেন কোচবিহারের রাজবংশী সমাজের অন্যতম নেতা বংশীবদন বর্মন। তাঁর পাশাপাশি এদিন বিজেপিতে যোগ দিলেন আরও এক রাজবংশী নেতা গিরিজাশঙ্কর রায় এবং মেখলিগঞ্জের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অর্ঘ্য রায় প্রধান। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, দলীয় মুখপাত্র আইনজীবী দেবজিৎ সরকার এবং সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে মঙ্গলবার বিকালে বিজেপির বিধাননগর দফতরে এসে তাঁরা দলে যোগ দিলেন। অর্ঘ্য রায় প্রধান কোচবিহারের তৃণমূল কংগ্রেসের একসময়ের গুরুত্বপূর্ণ মুখ ছিলেন। ২০১১ সালে তিনি কোচবিহারের তুফানগঞ্জের বিধায়ক ছিলেন। ২০১৬ সালে তিনি মেখলিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে টিকিট পান। ওই কেন্দ্র থেকেও তিনি জয়ী হয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে পরেশচন্দ্র অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন। দল অর্ঘ্যকে টিকিট না দিয়ে পরেশকে প্রার্থী করে। ভোটে জয়ীও হন তিনি। এবার অর্ঘ্য রায় প্রধান মনে করেছিলেন তাঁকে তৃণমূল কংগ্রেস টিকিটি দেবে। কিন্তু এবারও তিনি টিকিট পাননি। ফের দল ওই কেন্দ্রে পরেশচন্দ্র অধিকারীকে টিকিট দিয়েছে। এরপর থেকেই অর্ঘ্য বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিলেন বলে খবর। প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অর্ঘ্য বলেন, “দুর্নীতির সঙ্গে সমঝোতা করে যে দল চলছে তাদের সঙ্গে থাকতে পারলাম না বলে এই রায়ের সঙ্গে যুক্ত হলাম। এভাবে দুর্নীতি করে কোনও ভাবেই কাজ করা সম্ভব নয়। মানুষকে জবাব দিতে হয়। এভাবে কাজ করা সম্ভব নয়। তাই বিজেপির হয়ে কাজ করব। বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হয়ে গর্ববোধ করছি।”যোগদান পর্বে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শমীক বলেন, “এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে মমতা বনাম জনতা। তৃণমূল কংগ্রেসের লড়াই মা-মাটি-মানুষের বিরুদ্ধে। মানুষের লড়াই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। এই সরকারকে বিদায় দেবে গণদেবতা ঠিক করে নিয়েছে। বিদায় হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য আলুচাষী আত্মহত্যা করছেন। তৃণমূল মানুষের বিশ্বাসের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।”

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *