Breaking News

ভোট আসতেই রক্তারক্তি!প্রচারে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ বাসন্তীতে

নিজস্ব সংবাদদাতা :-বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সদাবের প্রচার ঘিরে ধুন্ধুমার বাসন্তী। বিজেপি কর্মীদের রাস্তায় ফেলে লাঠি-বাঁশপেটা করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এখানও পর্যন্ত ৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে বাসন্তীর বাজার এলাকায় বৃহস্পতিবার প্রচার করছিলেন বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দার। অভিযোগ সেই সময় এক তৃণমূল কর্মী ক্যামেরাবন্দি করছিলেন। বিজেপির তরফে বাধা দিতেই পরিস্থিতি রণক্ষেত্র ওঠে। দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। অভিযোগ হামলাকারীরা বিজেপির মিছিলে ঢুকে পড়ে হামলা করে। ভাঙচুর করা হয় বাইকে। বিজেপির অভিযোগ প্রশাসনের মদতে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালিয়েছে। বারুইপুর পুলিশ জেলার এসপি শুভেন্দ্র কুমার বলেছেন বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দার বলেছেন তৃণমূল হারের ভয়ে সন্ত্রাসের আশ্রয় নিচ্ছে। পুলিশ সামনে থেকেও নীরব দর্শক হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।যদিও তৃণমূলের দাবি বিজেপিই আগে হামলা চালিয়েছে। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় পুলিশ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে দলীয় কর্মীদের নিয়ে বাসন্তী বাজার এলাকায় প্রচার চালাচ্ছিলেন বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সরদার। অভিযোগ, মিছিল চলাকালীন আচমকাই একদল দুষ্কৃতী লাঠিসোটা নিয়ে মিছিলে চড়াও হয়। মুহূর্তের মধ্যে এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। আতঙ্কে বাজারের সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে ছুটতে থাকেন।বিজেপির দাবি, হামলাকারীরা কেবল মারধরই করেনি, মিছিলে থাকা অন্তত দু’টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।হামলার ঘটনায় সরাসরি পুলিশ ও প্রশাসনের দিকে আঙুল তুলেছেন বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সরদার। তিনি বলেন, “তৃণমূল হারের ভয় পাচ্ছে। তাই গণতান্ত্রিক প্রচার রুখতে এখন সন্ত্রাসের আশ্রয় নিচ্ছে। সবথেকে দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, পুলিশ সব দেখেও নীরব দর্শক হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। প্রশাসনের মদতেই এই তাণ্ডব চলেছে।”অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এটি বিজেপির অভ্যন্তরীণ আদি ও নব্য গোষ্ঠীর লড়াইয়ের ফল। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনো যোগসূত্র নেই।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *