দেবরীনা মণ্ডল সাহা :-রাজ্য বিধানসভা ভোটের প্রচারে কংগ্রেস প্রার্থী নির্মলচন্দ্র রায়ের সমর্থনে বৃহস্পতিবার ধূপগুড়িতে জনসভা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় | সেই সভা থেকে স্পষ্ট ভাষায় জানান, এই নির্বাচন শুধুমাত্র সরকার গঠনের লড়াই নয়, বরং মানুষের ক্ষোভ, প্রতিবাদ এবং জবাব দেওয়ার ভোট | সভা মঞ্চ থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেন অভিষেক। নোটবন্দি থেকে শুরু করে অতিমারির সময়ের বিধিনিষেধ – সবকিছুতেই সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির মধ্যে ফেলেছে বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর বক্তব্য, বারবার মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়ে রেখেছে কেন্দ্রের শাসক দল। তাই এবার ভোটের দিনই সেই অভিজ্ঞতার জবাব দেওয়ার সময় এসেছে। অভিষেকের স্পষ্ট বার্তা, ইভিএমের বোতাম টিপে বাংলা-বিরোধীদের বিদায় করতে হবে।তৃণমূলের জন্য ধূপগুড়ি তুলনামূলক কঠিন আসন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সেখানে বিজেপি জিতেছিল। ২০১৯ এবং ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনেও এই নির্দিষ্ট আসনটিতে এগিয়ে ছিল বিজেপি। তবে আড়াই বছর আগে ধূপগুড়ি বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল জেতে। বিদায়ী বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায়কে এ বারও সেখানে প্রার্থী করেছে দল। তাঁর হয়ে প্রচারে গিয়ে অভিষেক বলেন, ‘‘আমরা তো ২০২১ সালের ভোটে এখানে জিতিনি। মা-বোনেদের ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর টাকা কি তার জন্য বন্ধ হয়েছে? বিজেপি নেতারা কোথাও ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ বন্ধ করার ভয় দেখান। কোথাও আবার ক্ষমতায় এলে এই প্রকল্পের টাকা বাড়িয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। আসলে দলটার মধ্যেই দ্বিচারিতা রয়েছে।’’যারা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে, তারা আসলে রাজনৈতিক ভাবে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে বলে মনে করেন অভিষেক। তাঁর মতে, রাজনীতি হওয়া উচিত উন্নয়ন, চাকরি এবং জনকল্যাণ নিয়ে। অভিষেক বলেন, ‘‘অসম-সহ ১৫টি রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায়। কোনও রাজ্যে এখানকার মতো সম্পূর্ণ শর্ত ছাড়া ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ দিতে পারবে? আমি চ্যালেঞ্জ করছি। একটা রাজ্যেও সেটা করতে পারলে তৃণমূলের হয়ে আর ভোট চাইব না।’’
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal