Breaking News

‘হায়দরাবাদ থেকে বিজেপির কোকিল এসেছে’, মালদহ কাণ্ডে অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরার দাবি মমতার !

প্রসেনজিৎ ধর :-জেলায় জেলায় ঘুরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার করছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার তাঁর তিনটি জনসভা ছিল। দক্ষিণ দিনাজরপুরের হরিরামপুর থেকে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ হয়ে মালদহে সভা করেন মমতা। বিজেপিকে পর পর আক্রমণ করেছেন সভা থেকে।
নাম না করে অমিত শাহ ও আসাউদ্দিন ওয়েইসিকে আক্রমণ করেন তৃণমূলনেত্রী। তাঁর হুঙ্কার, ‘আগে মণিপুর সামলান মোটাভাই। সঙ্গে এজেন্সি আছে। তাই খুব মজায় আছে। ফোন করে করে লোকজনকে ভয় দেখান। কাজই ফোন করে ভয় দেখানো। আমাকেও এক দিন করেছিল। ভাল করে গুঁতিয়ে দিয়েছি। লড়াই করতে হলে সামনাসামনি করো। মুখোশ আমি টেনে খুলে দেব। উনি আগে থেকে বক্তৃতা লিখে রাখেন। টেলি প্রম্পটার ছাড়া একটা কথাও বলতে পারেন না। বিজেপিকে বেলাইন করার জন্য আমরা এ বার ভোটের লাইনে দাঁড়াব।’ভোট নিয়ে আশাবাদী মমতা বলেন, ‘মালদহ শহরের লোকসভায় দু’টি আসন। একটা কংগ্রেস, একটা বিজেপি জিতেছে। ২০২৪ সালের ভোটার তালিকায় যদি অনুপ্রবেশকারী থেকে থাকে, তবে আপনিও তাঁদের ভোটে জিতেছেন। আপনি আগে পদত্যাগ করুন। কর্মীরাই দলের সম্পদ। যাঁরা বিএলএ এজেন্টের কাজ করেন, মিছিল মিটিং করেন, লড়াইয়ের ময়দানে থাকেন, পালিয়ে যান না, তাঁরাই দলের সম্পদ। তাঁদের আমি ভালবাসি, শ্রদ্ধা করি। আমি নিজেও মাটির কর্মী। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এক পয়সা মাইনে নিইনি। সাধারণ ভাবে থাকি। অহংকার চলে এলেই দুর্বলতা।’মালদহে মোথাবাড়িতে বিচারকদের আটকে রাখা ও বিক্ষোভের ঘটনায় ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘মালদহের একটা ঘটনা বাংলার সম্মান নষ্ট করে দিয়েছে। স্থানীয় লোকেরা এর জন্য দায়ী নন। তাঁদের ক্ষোভ থাকতেই পারে। হায়দরাবাদ থেকে এসেছে বিজেপির কোকিল। তার সঙ্গে কিছু সাম্প্রদায়িক লোকজন। মালদহে তারাই এসব করছে। আমরা হাতেনাতে ধরেছি। বিমানবন্দর থেকে সিআইডি ধরেছে। বিচারকদের কারা আটকে রেখেছিল? বহিরাগতেরা।’

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *