Breaking News

একে অপরকে পরিয়ে দিলেন পাগড়ি-মালা!খড়গপুরে ‘দাবাং’ নেতা দিলীপের মনোনয়নে শুভেন্দু

প্রসেনজিৎ ধর :-খড়গপুর রাম মন্দিরে পুজো দিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। পাশে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা, স্ত্রী রিঙ্কুও। খড়গপুর সদরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষের মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় রাস্তা কার্যত গেরুয়া স্রোতের রূপ নেয়। দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারী একে অপরকে পাগড়ি মালা পরিয়ে দিয়েছেন। ২০১৬ সালে খড়গপুর সদর থেকেই বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। তবে ২০১৯-এ দিলীপ ঘোষ মেদিনীপুর কেন্দ্রের সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর উপনির্বাচনে ওই কেন্দ্র হাতছাড়া হয় বিজেপির। এরপর একুশের নির্বাচনে বিজেপি ফের ওই কেন্দ্রে জয়ী হয়। যদিও ২০২৪-এ বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে গিয়েছিলেন। দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন খড়গপুরে এই নিয়ে তৃতীয়বার মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। ভোটে জিতে নতুন খড়গপুর বানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় হাজির ছিলেন দিলীপ ঘোষ। আবার খড়্গপুরে দিলীপের মনোনয়নের দিন দেখা গেল উল্টো ছবি – সেখানে উপস্থিত শুভেন্দু। শুধু উপস্থিতিই নয়, একে অপরকে পাগড়ি পরানো, মালা পরিয়ে সম্মান জানানো – সব মিলিয়ে মঞ্চে ধরা পড়েছে পারস্পরিক সৌজন্যের দৃশ্য। অতীতের প্রেক্ষাপটে যা অনেকের কাছেই বিস্ময়কর। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বার্তা স্পষ্ট, ভোটের আগে ঐক্যের ছবি তুলে ধরা জরুরি। শনিবার দুপুর ২ টো নাগাদ বর্ণাঢ্য রোড শো করে নির্বাচনী মনোনয়ন পেশ করেন খড়গপুর সদরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। দিনভর তাঁর সঙ্গী ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দিলীপের মনোনয়নে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাও। সকাল দশটা নাগাদ খড়গপুর রাম মন্দির থেকে পুজো দিয়ে মিছিল শুরু করেন দিলীপ ঘোষ। তারপর গোলবাজার হয়ে মিছিল পৌঁছয় খড়গপুর মহকুমা শাসকের দফতরে। সেখানেই মনোনয়ন জমা দেন দিলীপ ঘোষ |দিলীপ ঘোষের কাছে এবার নিজের গড়ে প্রেস্টিজ ফাইট। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই জোরকদম নেমে পড়েছেন প্রচারে। খড়গপুর সদরে ‘এক লক্ষ মার্জিনে’ জয়ের আত্মবিশ্বাস আগেই শুনিয়েছেন দিলীপ। তবে ভোট বাক্সে কে এগিয়ে থাকবে তার উত্তর পাওয়া যাবে ৪ মে|

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *