প্রসেনজিৎ ধর :-বাঙালি আবেগে শান দিয়ে ফের বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, রথে চেপে বিজেপি যেমন পশ্চিমবঙ্গে আসছে, তেমনই উল্টোরথে চেপে বিদায় নেবে। রাজ্যের ভোটারদের হেনস্থা, বাঙালিকে অপমান এবং ভেদাভেদ সৃষ্টির অভিযোগে বিঁধলেন পদ্মশিবিরকে। রায়নার সভা থেকে বিজেপির সঙ্গে সিপিএম-কেও একই বন্ধনীতে ফেলে আক্রমণ শানান তিনি।
এদিনের সভা থেকে বাম আমলের সন্ত্রাসের কথা মনে করিয়ে দিয়ে অভিষেক বলেন, “এখন সিপিএম-এর সন্ত্রাস অতীত। ২০০৯ সালে মাধকডিহিতে যে সন্ত্রাস চলেছিল, সেখানকার মা-বোনেরাই রুখে দাঁড়িয়ে সিপিএম-কে তাড়িয়েছে।” গত নির্বাচনে তৃণমূলকে ১৬-০ ব্যবধানে জয়ী করার জন্য রায়নার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
‘আপনারা পরিবার আমার, আপনারা খালি আদেশ করবেন। আমি আছি তো।’ দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাতগাছিয়ার সভা থেকে আত্মবিশ্বাসী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায় শোনা গেল চ্যালেঞ্জের সুর। সভা থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, “দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভোট প্রতিবারের মতই এবারও শেষ দফায় হচ্ছে। ভোট যত দফাতেই করুক, এদের রফা-দফা দক্ষিণ ২৪ পরগনাই করে। এবারও করবে।” বিজেপি প্রার্থীকে সরাসরি আক্রমণ শানিয়ে বলেন, “বিজেপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়েছিল বিষ্ণুপুরে, এবার দাঁড়িয়েছে সাতগাছিয়ায়। সাধারণত এক ছাত্র দু’বার ফেল করলে স্কুল থেকে তাড়িয়ে দেয়। এই প্রার্থী ২০২১ সালে একবার ফেল করেছে আবার ২০২৬ সালে ফেল করে মাঠছাড়া হবে।”
বিজেপিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, “সাতগাছিয়াতে আমি রিপোর্ট কার্ড আনতে বলব না। ২০১৪ সালে মোদি এসেছে ক্ষমতায়। সেই বছর অভিষেক সাংসদ হয়েছে। দু’জনের ১২ বছরের রিপোর্ট কার্ড আনব। ডবন ইঞ্জিন বনাম সিঙ্গেল ইঞ্জিনের সরকারের হিসেব আনব। মাঠ ছাড়া করব।” দলের কর্মীদের বার্তা দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এবারের চ্যালেঞ্জ সব গ্রাম পঞ্চায়েতে জিততে হবে। অনেককে ফোন করে অনেক কিছু বলা হবে। বিজেপির এখানে কোনও কাজ করার লোক নেই। টাকা দিতে চাইলে সবাই টাকা নিয়ে নিন। এটা বাংলার টাকা যেটা মোদী আটকে রেখেছে। যেভাবে ২০২৪ সালে হয়েছে, সেইভাবে এবারও পদ্ম ফুল থেকে টাকা নেবেন আর জোড়াফুলকে ভোট দেবেন।”
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal