নিজস্ব সংবাদদাতা :- শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সাবিত্রী বর্মণের গাড়িতে ভাঙচুর এবং রবিবার রাতে অশান্তির ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ছ’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ভোটের আগে এভাবে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে মাথাভাঙা থানায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করলেন জেলা পুলিশের কর্তারা। কী কারণে অশান্তি ছড়াল, আর কারা এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছেন, তা অনুসন্ধান শুরু করেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে মাথাভাঙায় প্রচারে আসেন বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক। ঘটনার সূত্রপাত সেখানেই। ৫ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় প্রচার চলাকালীন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। সেইসময় ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চন্দ্র শেখর রায় বাসুনিয়াকে মারধরের অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। মুহূর্তের মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। তারপরই অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে মাথাভাঙা থানার সামনে অবস্থানে বসেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁরা।বিষয়টি সেখানে থামেনি। পরে তৃণমূলের তরফে মাথাভাঙা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরও করা হয়। থানার ভিতরে যখন কয়েক জন লিখিত অভিযোগ দায়ের করছিলেন, বাইরে তখন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময়ে শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গাড়ি করে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, সাবিত্রীর গাড়ি-সহ আরও একটি গাড়িতে ভাঙচুর চালান বিক্ষোভকারীরা। মুহূর্তের মধ্যে উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি। দু’পক্ষকে সামলাতে কার্যত হিমশিম খায় পুলিশ। শেষে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামে। সাবিত্রীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।সোমবার সকালেও এলাকায় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ছিল। রাত থেকেই অভিযুক্তদের খোঁজ শুরু করে পুলিশ। সোমবার সকালে মাথাভাঙা থানায় যান উত্তরবঙ্গ রেঞ্জের এডিজি কে জয়রামন, ডিআইজি জলপাইগুড়ি রেঞ্জ অঞ্জলি সিংহ, জেলা পুলিশ সুপার জসপ্রীত সিংহ-সহ অন্য পুলিশ আধিকারিকেরা। থানার মধ্যে তাঁরা বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে থানা থেকে বেরিয়ে জসপ্রীত বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করেছে। নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।’’
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal